kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

পাটগ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুন, ২০১৯ ০৫:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাটগ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

ছবি: কালের কণ্ঠ

বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের বাসিন্দারা শনিবার রাতে মহাসড়ক অবরোধ করেন। রাত ৯টা থেকে রাত ১২-১০ মিনিট পর্যন্ত তারা লালমনিরহাট-বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়কের বাউরা পাবলিক দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গাছের গুড়ি, বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল ফেলে সড়ক অবরোধ করেন।

অবরোধের ফলে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে ছেড়ে আসা পণ্যবাহী দূরপাল্লার ট্রাক, নৈশকোচসহ বিপরীতমুখী লালমনিরহাট থেকে আসা প্রায় চার শতাধিক গাড়ি আটকা পড়ে। ফলে যাত্রী ও যান চালকেরা পড়ে ভোগান্তিতে। 

খবর পেয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল করিম ও পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আলী সরকার, বাউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বসুনিয়া দুলাল ঘটনাস্থলে আসেন। 

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল করিম 'এ বিষয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত করেন স্থানীয় জনতাকে। এবং কয়েকদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধানের আলোচনা করা হবে বলে জানান।'
 
এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতিশ্রুতিতে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।

বাউরা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসীন্দা নুরুজ্জামান স্বপন ও ব্যবসায়ী সুষ্ময় রায় তরুণ বলেন, 'গত শুক্রবার রাতে গেছে বিদ্যুৎ সেই বিদ্যুৎ শনিবার রাতেও আসার কোনো খবর নেই। সামান্য ঝড় হলে বিদ্যুৎ চব্বিশ (২৪) ঘণ্টার বেশি সময় থাকে না। তাছাড়া যে সময় থাকে সে সময় লো ভোল্টেজের কারণে বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে পারি না, লো ভোল্টেজের কারণে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ বিকল হচ্ছে।'

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পাটগ্রাম কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা সদর জাতীয় গ্রিড থেকে ৩৩ কেভির বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের পাটগ্রাম পর্যন্ত দুরত্ব ৯০ কিলোমিটার। এই সঞ্চালনের লাইনের খুঁটির ইনসুলেটরগুলো বেশ পুরোনো। এর ফলে  বৃষ্টি হলে যেকোনো মুহূর্তে কোনো না কোনো উপজেলার অংশে সঞ্চালনের লাইনের ইনসুলেটর পুড়ে যায়। পুড়ে যাওয়া ওই স্থান নির্ধারণ করতে বেশ সময় লাগে। ফলে এ সময় স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বাউরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুতের চলে যাওয়া আসার খেলা এবং স্বাভাবিক দিনেও বর্তমানে গড়ে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না এরপর ও লো-ভোল্টেজ। তাই বাধ্য হয়ে আমরা সড়ক অবরোধ করি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা