kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাংসদ শহীদকে হত্যার পরিকল্পনা!

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৬ জুন, ২০১৯ ০১:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাংসদ শহীদকে হত্যার পরিকল্পনা!

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে! এমন তথ্য সম্বলিত একটি চিঠি ডাকযোগে শুক্রবার (১৪ জুন) শ্রীমঙ্গলে তাঁর বাসভবনে এসেছে। তবে চিঠির বিষয়টি শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চেপে রাখা হয়েছিল।

আব্দুস শহীদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (এপিএস) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন জানান, শ্রীমঙ্গল শহরের রামকৃষ্ণ মিশন রোডে এমপি মহোদয়ের বাসার ঠিকানায় গত শুক্রবার বিকেলে ডাকযোগে চিঠিটি আসে। এ সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। সংসদ সদস্য দিনের কর্মসূচি শেষ করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় আসেন। এ সময় বাসার কেয়ারটেকার সাংসদকে চিঠিটি দেয় এবং তিনি চিঠিটি খোলে পড়েন।

বানান ভুল ও অগোছালো বাক্যে হাতে লেখা চিঠির ভাষাটি এমন- ‘উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এমপিকে মহোদয়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। হিজমা থেরাপি এন্ড রুকিয়াহ সেন্টার কুসুমবাগ, মৌলভীবাজার, এস.এ পরিবহনের পূর্বপাশে দোতলা থেকে তা পরিচালনা করা হচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারী আইএস মৌলভীবাজার জেলার পরিচালক তাজুল ইসলাম লুলু, গ্রাম দরগাহপুর, পো. বৃন্দাবনপুর কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার। তার চাচা বিশিষ্ট রাজাকার আব্দুল হক (মাস্টার ছিলেন) বর্তমানে মৃত। টাকার ব্যবস্থা হচ্ছে- জামিমা স্টোর রাজদীঘির পাড় কমলগঞ্জ মৌলভীবাজার। এর স্বত্ত্বাধিকারী ফজলুর রহমানের বিকাশসহ বিভিন্ন হুন্ডির মাধ্যমে যা আসছে লন্ডন ও আমেরিকা থেকে।’ 

সরকারি ডাকবিভাগের খামে এই চিঠিটির প্রেরকের ঠিকানায় লিখা রয়েছে- সুজন মিয়া কদমতলী, সিলেট।

চিঠি প্রসঙ্গে আব্দুস শহীদ বলেন, ‘যারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে নির্মূল করতে চায়, যারা জনস্বার্থে করা কর্মকাণ্ড পছন্দ করে না, যারা পাকিস্তানের দালালি করে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ সরকার এবং এর নেতৃত্বে আঘাত আনতে চায়- এটা তাদের কাজ। আমি এটাকে সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে মনে করি, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’

এদিকে চিঠি পাওয়ার পর পরই জেলা ও থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমপি’র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শনিবার মির্জাপুর চা বাগান এলাকায় পূর্ব নির্ধারিত একটি কর্মসূচি ছিল। ওই কর্মসূচিতে পুলিশকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে। 

মৌলভীবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান চিঠি প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। এমপি মহোদয়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চিঠির সূত্র ধরে সব কিছু যাচাই করে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এমপি মহোদয়ের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। সূত্রগুলো খোঁজা হচ্ছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা