kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

অপহরণ, পানিতে ফেলে হত্যা, অবশেষে মিলল স্কুলছাত্রের অর্ধগলিত লাশ

বরিশাল অফিস    

১৫ জুন, ২০১৯ ২০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপহরণ, পানিতে ফেলে হত্যা, অবশেষে মিলল স্কুলছাত্রের অর্ধগলিত লাশ

বরিশালের হিজলা উপজেলার আবুপুর চরাঞ্চল থেকে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র মো. সিয়াম হোসেনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নরসিংদীর শিবপুর থেকে অপহরণের ১১ দিন পর শুক্রবার দুপুরে আড়িয়ালখাঁ নদীসংলগ্ন আবুপুর চরাঞ্চল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।  

নিহত সিয়াম শিবপুর উপজেলার কারারচর বিসিক শিল্পনগরীর এলাকার খাবার হোটেল মালিক নূর উদ্দিনের ছেলে। সে পলাশ উপজেলার দড়িচর এলাকার আল-সাফা কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সিয়ামের চাচাতো মামা সাফায়াত হোসেনকে পুলিশ আটক করেছে। সাফায়েত ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালিনগর এলাকার হাবিব মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২ জুন রাতে নিখোঁজ হওয়া সিয়ামকে ফেরত দিতে দুষ্কৃতকারীরা তার মা লাকি আক্তারের মুঠোফোনে কল দিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই রাতে সিয়ামের বাবা শিবপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।  

দুই দিন পর ৪ জুন অপহরণকারীরা সিয়ামের পরিবারকে বিকাশ নম্বর দেয়। ওই নম্বরে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ পাঠানো হয়। ওই বিকাশ নম্বরের স্থান নিশ্চিত করে সিয়ামের চাচাতো মামা সাফায়াত হোসেনকে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হিজলার আবুপুর থেকে সিয়ামের লাশ উদ্ধার করা হয়।  

জিজ্ঞাসাবাদে সাফায়েত পুলিশকে জানিয়েছে, অপহরণের পর গত ৯ জুন শিশু সিয়ামকে নিয়ে  তারা মাদারীপুরগামী এমভি দ্বীপরাজ ৪ লঞ্চ ঠেন। সদরঘাট থেকে মাদারীপুরের কালকিনি যাওয়ার পথে সিয়ামকে তারা ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয়।

হিজলা থানার ওসি মাকসুদুর রহমান জানান, নরসিংদীর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আড়িয়ালখাঁ নদীর আবুপুর এলাকা থেকে সিয়ামের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা