kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর   

১৩ জুন, ২০১৯ ১৯:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মিরুখালীর একটি স্কুলের দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলার প্রধান আসামিসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে মিরুখালী বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. সাইফুল জমাদ্দার (২০), তার সহযোগী শাওন জমাদ্দার (২২) ও নাজমুল হাওলাদারকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযুক্তরা ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল। গ্রেপ্তার প্রধান আসামি সাইফুল উপজেলার ওয়াহেদাবাদ গ্রামের মতিউর রহমান জমাদ্দারের ছেলে। এছাড়া শাওন ওয়াহেদাবাদ গ্রামের খোকন জমাদ্দারের ছেলে এবং নাজমুল একই গ্রামের সুলতানের হাওলাদার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের নভেম্বরের ৩০ তারিখ দুপুরে ওই স্কুল ছাত্রী উপজেলার খায়ের ঘটিচোরা গ্রামের বাড়ি থেকে মিরুখালী বাজারের স্কুলে প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় পথে ওই ছাত্রীর পূর্ব পরিচিত সাইফুল কথা বলার জন্য রাস্তার পাশে একটি ঘরে মেয়েটিকে ডেকে নেয়। এরপর ওই ঘরে লুকিয়ে থাকা সাইফুল ও তার সহযোগী ইসমাইল, শাওন, নাজমুলসহ চারজন মিলে ওই স্কুল ছাত্রীকে জোরর্পূবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তারা ধর্ষণের ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে। ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রী তাদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে যায়। এ ঘটনা মেয়েটি তার পরিবারকে জানায়। লজ্জার ভয়ে ওই ছাত্রী ও তার পরিবার বিষয়টি চেপে য়ায়। এরপর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সাইফুল ও ইসমাইল ওই ছাত্রী স্কুলে আসার পথ আটকে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক সাইটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে নতুন করে কুপ্রস্তাব দেয়।

পরে ওই স্কুল ছাত্রী ঘটনাটি অভিভাবকদের জানালে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ইসমাইল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে বাকি পলাতক তিন আসামিকে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বুধবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করে।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গণধর্ষণ মামলার সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিদের বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা