kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

ভেসে উঠল হতভাগা কলেজছাত্র রাফির মরদেহ

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৩ জুন, ২০১৯ ১২:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেসে উঠল হতভাগা কলেজছাত্র রাফির মরদেহ

অবশেষে ভেসে উঠল হতভাগা কলেজছাত্র রাফিদুল ইসলাম রাফির মরদেহ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁদপুর শহরের তিন নদীর মোহনার অদুরে জেগে ওঠা চরের পাশেই ভেসে ওঠে রাফির মরদেহ। এ সময় রাফির বড় চাচা মহিবুল ইসলাম, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হকের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

এর আগে গতকাল বুধবার দুপুরে ওই চরের পাশে নদীতে সাঁতার কাটতে নামেন রাফিদুল ইসলামসহ তার ৮ বন্ধু। কিন্তু এদের মধ্য থেকে নদীতে সলিল সমাধি ঘটে হতভাগা এই কলেজছাত্রের। দুর্ঘটনার পর থেকে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, নৌ-পুলিশসহ বেসরকারি ডুবুরিদল নিখোঁজের সন্ধানে অভিযান শুরু করে। 

রাফিদুল ইসলাম (১৮) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মডেল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। তিনি বন বিভাগের কর্মকর্তা। কুমিল্লা শহরের টমছম ব্রিজ এলাকার পাশে পোস্ট অফিস কলোনিতে রাফিদুলের বাসা। এক ভাই, এক বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।

এদিকে, সকালে রাফির মরদেহ ভেসে উঠলে সেখানে উপস্থিত স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার বড় চাচা মহিবুল ইসলাম জানান, আমার ভাই অসুস্থ। এর মাঝে ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো। কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক জানান, ছাত্র হিসেবে বেশ মেধাবী ছিল রাফি। এ ছাড়া রাফি রোভার স্কাউটসসহ নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। তার এভাবে চলে যাওয়া আমাদের বেশ কষ্ট দিয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, পরিবার ও কলেজ কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুরোধের প্রেক্ষিতে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা