kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

স্থগিতাদেশ অমান্য করে নিয়োগ, মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধির আপত্তি

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি   

২৭ মে, ২০১৯ ০০:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্থগিতাদেশ অমান্য করে নিয়োগ, মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধির আপত্তি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রিজেন্ট বোর্ডের বৈঠকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধি। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে রিজেন্ট বোর্ডের ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিজেন্ট বোর্ডের ওই বৈঠকের ফলে আটকে গেল উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামানের শেষ সময়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে তাড়াহুড়ো করে দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধির আপত্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিজেন্ট বোর্ডের একাধিক সদস্য।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, শনিবারের রিজেন্ট বোর্ডের বৈঠকে ১৩ সদস্যের সবাই উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে উপাচার্য শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের এজেন্ডা উত্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধি অতিরিক্ত সচিব অরুণা বিশ্বাস এবং অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) ও প্রকল্প পরিচালক জহির উদ্দিন বাবর গত ২৭ এপ্রিলের বোর্ডের বৈঠকে অনুমোদনের পর এক দিনের মধ্যে (২৮ এপ্রিল) ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলেন এবং এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে লিখিত আপত্তি দেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি প্রকল্প পরিচালক (বিশ্ববিদ্যালয়) জহির উদ্দিন বাবর কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা (মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি) বৈঠকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়সহ আরো বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছি। লিখিত আপত্তির ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি লিখিত আপত্তির ব্যাপরটি অস্বীকার করেন এবং পরবর্তীতে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মহোদয় এ ব্যাপারে ভালো জানেন। আপনি তার সাথে কথা বলুন।

স্থগিতাদেশ অমান্য করে নিয়োগের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিনিধি লিখিত আপত্তি দিয়েছেন কিনা এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর মমিনুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা কোনো লিখিত আপত্তি দেননি।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিলের রিজেন্ট বোর্ডের বৈঠকে অনুমোদনের পর মন্ত্রণালয়ের স্থগিতাদেশ অমান্য করেই একদিনের মধ্যেই (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা