kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

ঈদের কেনা-কাটায় টাকা কম নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছেলের হাতে মা খুন

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০১৯ ২১:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদের কেনা-কাটায় টাকা কম নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছেলের হাতে মা খুন

ঈদের কেনা-কাটায় টাকা কম দেওয়ায় নিজ ছেলের লাঠির আঘাতে রোজারত অবস্থায় এক মায়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার দুপুরে রাজশাহীর তানোরে উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর এলাকার গৌরাঙ্গাপুর গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যার পর থেকে ঘাতক ছেলে একরামুল হক (২৮) পলাতক রয়েছে। তবে অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

নিহত মায়ের নাম রহিমা বেগম (৭০) তিনি গৌরাঙ্গাপুর গ্রামের সামজাত হাজীর স্ত্রী। এদের তিন ছেলে সন্তান। এরা হলেন, আব্দুল হক(৩০) একরামুল হক (২৮) ও আমিরুল ইসলাম (২০)।

তানোর থানার ওসি খাইরুল ইসলাম জানান, রবিবার সকালে রহিমা বেগম বড় ও মেজো দুই ছেলেকে টাকা না দিয়ে তার ছোট ছেলে আমিরুল ইসলামকে দুই হাজার টাকা দেন ঈদের কেনা-কাটা করতে। আমিরুল মায়ের দেয়া টাকা পেয়ে ঈদের কেনা-কাটা করতে চলে আসেন মুণ্ডুমালা বাজারে। 

এদিকে ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ার কথা শুনে বড় ছেলে আব্দুল হক ও মেজো ছেলে একরামুল ও তার মায়ের কাছে তিন হাজার করে টাকা দাবি করেন। তার মা দুই ছেলেকে এক হাজার করে টাকা দিতে চান। কিন্ত দুই ছেলের তাতে মন ভরেনি। এ দ্বন্দ্বে মায়ের সাথে কথা-কাটাকাটি শুরুর করে দুই ছেলে। এক পর্যায়ে মেজো ছেলে একরামুল বাড়িতে থাকা একটি মোটা লাঠি দিয়ে তার মায়ে ঘারে উপরে স্বজরে আঘাত করলে সেখানেই টলে পড়েন রহিমা বেগম। পরে প্রতিবেশীরা রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে রহিমা বেগম রোজা অবস্থায় ছিলেন।

ওসি খাইরুল ইসলাম আরো জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু হওয়াই প্রতিবেশীরা রহিমার লাশ বাড়িতে ফেরত এনেছে। পুলিশ লাশের সুরহা তৈরি করে রবিবার সন্ধায় মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মূল ঘাতক পালাতক রয়েছে। অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্ততি চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা