kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

তিন বছরের রোজাকে একা রেখে মা-বাবা দূরে, পুড়ে মরল শিশুটি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি    

২৬ মে, ২০১৯ ১৫:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বছরের রোজাকে একা রেখে মা-বাবা দূরে, পুড়ে মরল শিশুটি

পঞ্চগড়ে বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের আগুনে দগ্ধ হয়ে রাদিয়া আক্তার রোজা নামে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রববার পঞ্চগড় সদর উপজেলার হেলিপ্যাড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু রোজা ওই এলাকার হোটেল শ্রমিক রমজান আলীর একমাত্র মেয়ে। 

স্থানীয়রা জানায়, রবিবার সকাল ১১টায় রোজাকে ঘরে ঘুম পাড়িয়ে তার মা জেসমিন আক্তার পাশের বাড়িতে যান। এর কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় রোজার ঘরে আগুন দেখতে পান। মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘর ছেয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসে ফোন দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে শিশু রোজা অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে মারা যায়। ওই ঘরে রক্ষিত সব জিনিসপত্র পুড়ে যায়। স্থানীয়রা ধারণা করছেন বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের আগুনেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যুতে ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

খবর পেয়ে পঞ্চগড় ১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুদর্শন রায়, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেখতে যান। এ সময় সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান সাড়ে ৭ হাজার টাকা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম ২০ হাজার নগদ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অর্থ সহায়তা দেন। 

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নিরঞ্জন সরকার বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। এর মধ্যেই একটি ঘরে থাকা সব পুড়ে যায়। ওই ঘরে থাকা শিশুটি পুড়ে মারা যায়। স্থানীয়রা বলছেন বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের আগুনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্তের পরেই অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যাবে। 

পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম জানান, আমরা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে নগদ ২০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছি। এ ছাড়া শুকনো খাবার, চাল, কম্বল ও ঢেউটিন দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা