kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ইউপি সদস্যের সাথে সংঘর্ষের রেশ

চান্দিনায় অর্ধশত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর-লুট

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০১৯ ১৪:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চান্দিনায় অর্ধশত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর-লুট

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার এক ইউপি সদস্যের সাথে চান্দিনার উপজেলার পানিপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির সংঘর্ষের জের ধরে চান্দিনার প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ীর দোকান-পাট ভাঙচুর ও লুটের ঘটনা ঘটে। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। 

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা রামমোহন বাজারে চান্দিনার অর্ধশত ব্যবসায়ীর দোকান-পাট ভাঙচুর ও লুট করে বরুড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের লোকজন। এ সময় চান্দিনা ও বরুড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রবিবার দুপুর সোয়া ১টা) ওই বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে বাজার প্রায় ফাঁকা। 

ওই বাজারের ব্যবসায়ী সাবেক ইউপি মেম্বার আবুল হাসেম জানান, চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পানিপাড়া গ্রামের ইকবাল হোসেন এর সাথে শনিবার বিকেলে বরুড়া উপজেলার খোসবাস উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য অহিদুর রহমান এর সংঘর্ষ হয়। 

ওই সংঘর্ষের পর আহত হয় অহিদুর রহমান। খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমুল হোসেন ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি রামমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে গোপালনগর গ্রামের লোকজনকে নিয়ে মিটিং করে ইফতারের পর পুরো বাজারে চান্দিনা উপজেলার যত ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের দোকান-পাটে হামলা চালায়। 

খোসবাস উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নাজমুল হাসান সরদার জানান, অহিদুর রহমান মেম্বার এর সাথে পূর্বশত্রুতার জের ধরে তারা শনিবার বিকেলে তাকে মারধর করে। এদিকে রামমোহন বাজারটি চান্দিনার সীমান্তবর্তী হওয়ায় আমরা সব সময় তাদের কাছে জিম্মি থাকি। তারা এ ঘটনায় আমাদেরকে দোষারোপ করছে। 

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল ফয়সল জানান, বাজারের সিংহভাগ বরুড়া উপজেলাধীন। যেসব দোকানগুলোতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে সেগুলো বরুড়া সীমানায়। ঘটনার কথা জানার পর আমাদের থানা পুলিশসহ জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা