kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কলমাকান্দায় শুরু হয়নি ধান কেনা, হতাশ কৃষক

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০১৯ ১৬:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কলমাকান্দায় শুরু হয়নি ধান কেনা, হতাশ কৃষক

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় সরকারিভাবে এখনো ধান ক্রয় শুরু হয়নি। যার ফলে প্রান্তিক ধান কৃষকরা হাট-বাজারের ফড়িয়া ও দালালদের কাছে কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে প্রতিমণ ধানে কৃষকদের লোকসান দিতে হচ্ছে সাড়ে ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা। এতে হতাশ কৃষকরা।

সরকারিভাবে প্রান্তিক ধান কৃষকদের কাছ থেকে গত ২৫ এপ্রিল থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের নির্দেশনা থাকলেও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস অজ্ঞাত কারণে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ধান ক্রয় শুরু করেনি। অথচ কলমাকান্দা উপজেলায় ধানচাষিরা ধান কাটা শুরু করেছেন প্রায় ৩ সপ্তাহ ধরে। হাট-বাজারে ধানের আমদানি প্রচুর হলেও ক্রেতার অভাবে কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ধান কৃষকরা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ফারুক আহমেদ বলেন, কলমাকান্দায় বোরো মৌসুমে ৮৩ হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্যগুদামে এবার ২৬ টাকা কেজি দরে ৬১৩ মেট্রিকটন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুযায়ী কৃষি কার্ডধারী ৪৫ হাজার ১৬০ জন কৃষক রয়েছে। এর মধ্যে প্রতি ইউনিয়ন থেকে ৬০ জন করে ৪৮০ জনকে বাচাই করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোশারফ হোসেন বলেন আমরা এখনো পর্যন্ত প্রান্তিক কৃষকদের চূড়ান্ত তালিকা হাতে পায়নি। তালিকা পাওয়ার পরই সরকারিভাবে ধান ক্রয় শুরু করব।

অপরদিকে উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি অনুমোদিত ১৯টি চাতালকলের মাধ্যমে ২৬৭৩ টন সিদ্ধ চাল ও ৭৮৭ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ বার বোরো সিদ্ধ চাল ৩৬ টাকা ও আতপ চাল ৩৫ টাকা দরে ক্রয় করা হবে। তবে বেশির ভাগ চাতালকল মালিকদের সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে চাল তৈরি করে খাদ্যগুদামে দেওয়ার দৃশ্যমান হয়নি। যার ফলে স্থানীয় বাজারে কৃষকরা কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই নিয়ে কৃষকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা