kalerkantho

সোমবার । ২৪ জুন ২০১৯। ১০ আষাঢ় ১৪২৬। ২০ শাওয়াল ১৪৪০

হাঁসের সাথে শত্রুতা!

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০১৯ ১৫:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হাঁসের সাথে শত্রুতা!

শেরপুরের শ্রীবরদীতে পরিত্যক্ত পানির ডোবায় কীটনাশক খেয়ে ৭/৮ শ হাঁস মারা গেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সিংগাবরনা ইউনিয়নের সিংগাবরনা গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে রাজামল মিয়ার এসব হাঁস স্থানীয় নাজমুল মিয়ার পানির ডোবায় নামার কিছুক্ষণ পরেই মারা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে হাঁস মালিকের প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

হাঁস মালিক রাজামল মিয়া জানান, তিনি একদিন বয়সের খাকি ক্যাম্পবেল জাতের ২২ শ হাঁসের বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন হাঁস পালন। যার মূল্য ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বর্তমানে এসব হাঁসের বয়স প্রায় দেড় মাস। এসব দেখাশোনার জন্যে জিয়াবুর রহমান নামে এক শ্রমিক রয়েছে। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে সকল হাঁস নিয়ে বাড়ির পাশে নাজমুল মিয়ার পানির ডোবায় নিয়ে যায়। এ সময় কিছু হাঁস অন্য ডোবায় নেমে পড়ে। এদিকে নাজমুলের ডোবায় যে সকল হাঁস নামে এর বেশির ভাগ সেখানে মরতে থাকে। আধাঘণ্টার মধ্যেই মারা যায় প্রায় ৭/৮ শ হাঁস। পরে জীবিত হাঁসগুলো দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেয় হাঁস মালিক। পরে মৃত হাঁসগুলো তুলে রাস্তায় নিয়ে আসে। 

রাজামল মিয়া বলেন, গত ৩/৪ দিন আগে তার শ্রমিককে স্থানীয় মাছ আহরণকারী মৃত রজব আলীর ছেলে আব্দুর রশিদ ওই ডোবায় হাঁস নিয়ে যেতে নিষেধ করেছিল। এসব হাঁস মুত্যুর ঘটনায় খামার মালিক রাজামল মিয়া তাকেই সন্দেহ করছে। তিনি এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করবেন বলেও জানান। তবে অন্য কেউ বিষ প্রয়োগ করতে পারে বলেও ধারণা করছেন অনেকে। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাইনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুব খারাপ হয়েছে। মানুষের সাথে শত্রুতা থাকতে পারে। তাই বলে হাঁস মেরে প্রতিশোধ নিতে হবে? সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আমরা এ ধরনের ঘটনাকে ঘৃণা করি। এসব অপরাধীদের শাস্তি কামনা করেন তিনি। সিংগাবরনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত দোষীকে চিহ্নিত করতে পারলে বিচার করা সহজ হতো। তবে যে কেউ বিষ দিয়ে হাঁসগুলো নিধন করার মতো জঘন্যতম অপরাধের শাস্তি চান তিনি ও মৃত হাঁসগুলো দেখতে আসা স্থানীয বাসিন্দারা।

মন্তব্য