kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

কঁচা নদীর নাব্যতা রক্ষায় খনন শুরু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর   

২৫ মে, ২০১৯ ১৩:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কঁচা নদীর নাব্যতা রক্ষায় খনন শুরু

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কঁচা নদীর চরখালী মোহনার নাব্যতা সুরক্ষায় খনন কাজ আজ শনিবার থেকেশুরু হয়েছে। এর আগে শুক্রবার বিকালে সাবেক মন্ত্রী ও পিরোজপুর ২ আসনের (কাউখালী-ভান্ডারিয়া-ইন্দুরকানী) সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ইন্দুরকানী উপজেলার টগড়া ফেরীঘাটে এ খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পওে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন মহারাজ, ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মতিউর রহমান এডভোকেট, ভান্ডারিয়া উপজেলা জেপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার ও বিআইডাব্লিউটিএর কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

জানা গেছে, বরিশাল-ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ৫৩ কিলোমিটারে কঁচা নদীর চরখালী-টগড়া পয়েন্টের উভয় পাশে অবস্থিত ডুবোচর খননের (ড্রেজিং) এ কাজ বিআইডাব্লিউটিএর ড্রেজিং ডিপার্টমেন্ট থেকে সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ আঞ্চলিক মহাসড়কের চরখালী-টগড়া ফেরীঘাটে শুকনো মৌসুমে কঁচা নদীর অংশ বিশেষের উভয় পাশে ডুবোচর সৃষ্টি হওয়ায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। এতে গাড়িসহ ফেরী নদীবক্ষে ডুবোচরে প্রায় আটকে যায় এবং দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে। পাশাপাশি নদীর দুই পাড়ে বহু যানবাহন যাত্রীসহ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকে ফলে চরম জন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

অপরদিকে কঁচা নদীর মোহনায় নাব্যতা হ্রাসের কবলে পড়ে আন্তর্জাতিক নৌ-পথ বাংলাদেশ-ভারত (অভ্যন্তরীণ) এবং খুলনা ও মোংলার সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে এ পথে চলাচলকারী বিআইডাব্লিউটিসির রকেট স্টিমার, সরকারি ও বেসরকারি অয়েল ট্যাংকার, কোস্টার, কার্গো, নৌবাহিনীর জাহাজ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে মেঘালয় ও আসাম ইত্যাদি নৌ-পথ ব্যবহারে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

বিআইডাব্লিউটিএর টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টান্ট (সিভিল) মিজানুর রহমান সোহেল জানান, কঁচা নদীর এই অংশ খনন সম্পন্ন হলে আঞ্চলিক মহাসড়ক ও এ নৌ-পথ ব্যবহারকারী যানবাহনসমূহ চলাচল সহজতর হবে। তিনি আরো জানান, ৫০০ মিটার দীর্ঘ ও ২৩ মিটার চওড়া এলাকায় এই খনন কাজ করা হবে এবং ৬৫ হাজার ঘনমিটার মাটি উত্তোলন করা হবে। আগামী এক মাসের এ খনন কাজ সম্পন্ন হবে। 

বিআইডাব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের আওতায় রক্ষণাবেক্ষণ ও জরুরি খনন কাজ করা হচ্ছে। কাজ সম্পন্ন হলে চরখালী-টগড়া ফেরিঘাট ব্যবহারকারী দক্ষিণাঞ্চলের বরগুনা, পাথরঘাটা, মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, কাঠালিয়া, পিরোজপুর রুটের যানবাহন চলাচলে দীর্ঘ ভোগান্তির অবসান হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা