kalerkantho

সোমবার । ২৪ জুন ২০১৯। ১০ আষাঢ় ১৪২৬। ২০ শাওয়াল ১৪৪০

চসিক মেয়র বললেন

সড়কে একেক সময় খোঁড়াখুঁড়ির কারণে জনভোগান্তি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম    

২৫ মে, ২০১৯ ০৩:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সড়কে একেক সময় খোঁড়াখুঁড়ির কারণে জনভোগান্তি হচ্ছে

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ‘বিভিন্ন সংস্থার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সড়কে একেক সময় খোঁড়াখুঁড়ির কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। দুর্ভোগ-ভোগান্তি যাতে না হয় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। উন্নয়নকাজে সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।’ 

গতকাল শুক্রবার নগর ভবন মিলনায়তনে চট্টগ্রামে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সৌজন্যে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন মেয়র। তিনি বলেন, ‘আলাদা সেবাধর্মী সংস্থা। তাদের একই রাস্তা একাধিকবার কাটতে হয়েছে। দেখা যায়, কোনো কোনো ত্রুটির কারণে একই রাস্তা একাধিকবার কাটতে হয়েছে। এভাবে করতে করতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানুষের কষ্ট কমাতে আমরা সামর্থ্যের পুরোটা উজাড় করে দিয়েছি।’

আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, তিন দিন আগে পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশের লোকজন এসে বলল যে তাদের লাইনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। না দিয়ে তো উপায় নেই। এগুলো বড় চ্যালেঞ্জ। চেয়ারে বসলে বোঝা যায় দায়িত্ব পালন কত কঠিন। এসব প্রকল্প একনেক অনুমোদিত। প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পগুলো অনুমোদন দিয়েছেন। তারা কাজ করতে চাইলে তো দিতেই হবে।

মেয়র বলেন, ‘নগরের পিসি রোড ও আগ্রাবাদ এক্সেস সড়কে সার্ভিস লাইন শিফট করতে হয়েছে। নতুন নালা করতে হয়েছে। একটা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। জনগণ এসব বিষয়ে অতটা সচেতন নয়। আপনাদের মাধ্যমে সঠিক তথ্য পেলে তাদের সচেতনতার স্তর বাড়বে।’

সিটি করপোরেশনের জনবল সংকট ও লোকবল নিয়োগে বাধার বিষয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ১৯৮৮ সালের অর্গানোগ্রাম এখনো বাস্তবায়ন করতে পারছি না। তখন শর্ত দেওয়া হয়েছিল নিয়োগবিধি অনুমোদনসাপেক্ষে লোক নিয়োগ করতে হবে। তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল। তাঁরা অনেক আগেই বিভিন্ন স্থানে বদলি হয়ে গেছেন। তাই আগের মেয়ররাও এখানে বৈধভাবে লোক নিয়োগ দিতে পারেননি। এর প্রভাব সিসিসিতে পড়েছে। অনেকটা মেধাশূন্য হয়ে পড়ার মতো। 

সিটি মেয়র বলেন, আগের মেয়র পাঁচ বছরে ৯০০ কোটি টাকার কাজ করেছেন। এই মেয়াদে ইতিমধ্যে ছয় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হয়েছে। অনেকে অবসরে চলে গেছেন। কাজের পরিধি ও ধরন অনেক বদলেছে। জনবল কমে গেছে। এটা হলো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ।

ইফতার মাহফিলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল ও সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বিএফইউজের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মহসিনসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য