kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডামুড্যায় জমি বিরোধ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি   

২৪ মে, ২০১৯ ১২:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডামুড্যায় জমি বিরোধ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় জমিজমা নিয়ে বিরোধে এক মুক্তিযোদ্ধার মাথা ফাটিয়ে তাকে আহত করেছে তারই তিন শ্যালক ও তাদের স্ত্রীরা। এ সময় তার পরিবারের ওপরও হামলা করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় উপজেলার ধানকাঠ্রি ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড চরমালগাও ছয়হিশ্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছালাম মাদবর ও মিজান মাদবরকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলেন-মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর জলিল বয়াতী (৬৫), আব্দুর রহিম বয়াতী (৬০), রেনু বেগম (৫৮), সুমি বেগম (৩৫), শিপন বয়াতী (২৪), শাওন (১৮), সালিশ আনোয়ার বেপারী (৫৫), সাজাহান বেপারী (৫০)।
তাদের স্থানীয় ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালাম মাদবরের সাথে বাড়ির জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে তার ভাইয়ের। এই জায়গা নিয়ে বেশ কয়েকবার ডামুড্যা থানায় ও স্থানীয় ভাবে মিমাংসের চেষ্টা করা হয়। মিমাংসার জন্য পুলিশের সহযোগিতায় জমি মেপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সালাম মাদবর, মিজান মাদবর, জাকির মাদবর অতর্কিত এ হামলা করেন। তারা সালিশদের ওপরও হামলা করেন।

মুক্তিযুদ্ধা আব্দুর জলিল বয়াতীর ছেলে আহত মোঃ সিপন বয়াতী বলেন, জমি মাপা নিয়ে আমার বড় মামার সাথে ছোট মামাদের দ্বন্দ্ব চলছে দীর্ঘদিন যাবত। গতকাল বৃহস্পতিবার মামাদের জমি মাপামাপির এক পর্যায়ে মেজ মামা সালাম আমার গলা টিপে ধরে। বাবা ছাড়াতে যাওয়ায় তার ওপর লাটিসোঠা নিয়ে হামলা করেন। এতে আমার কাকা আব্দুর রহিম বয়াতী ছাড়াতে গেলে তার ওপরও হামলা করেন। যারা সালিশ করতে গিয়েছিল তাদেরকেও মারধর করেন তারা। বাবাকে মারধরের এক পর্যায়ে তারা বাবাকে মিজান মদবরের ঘরের ভিতর নেয়ার চেষ্টা করে। তখন আমার মা রেনু বেগম ও বোন সুমি বেগম বাচাতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে।

আহত আনোয়ার বেপারী বলেন, আমরা জায়গা ভাইদের মধ্যে ভাগভাটয়ারা করে দেওয়ার জন্য। পুলিশ প্রশাসনের সামনে সালাম মাদবর শিপন বয়াতির গলা টিপে ধরেন। তারপর শিপনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল বয়াতী তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য যান। তখন সালাম মাদবর ও তার ভাই মিজান মাদবর লাঠিসোটা দিয়ে তাকে মারতে থাকেন। তাকে বাঁচানোর জন্য আমরা আগালে আমাদের ওপর হামলা করেন তারা।

এ ব্যাপারে ডামুড্যা থানা অফিসার্স ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, ডামুড্যা থানায় এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। এতে দুইজন গ্রেপ্তার হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা