kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে শ্রীবরদীর ২০ হাজার মানুষের জীবন

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি   

২১ মে, ২০১৯ ১৮:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে শ্রীবরদীর ২০ হাজার মানুষের জীবন

ভারত থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী নদী বিচ্ছিন্ন করেছে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ের খারামোরা, রাঙাজান ও কোচপাড়া গ্রামবাসীদের। বর্ষাকালে তাদের নৌকাই একমাত্র ভরসা। পাহাড়ি ঢলে বন্ধ হয় চলাচল। এতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েন সেখানকার দু শতাধিক শিক্ষার্থীসহ ২০ হাজার মানুষ। অথচ এ নদীতে মাত্র ৩০০ ফুট দীর্ঘ একটি ব্রিজ হলে বদলে যাবে গারো পাহাড়ের গ্রামবাসীদের চিত্র।

জানা যায়, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকা গারো পাহাড়ের গ্রাম খারামোরা, রাঙাজান ও কোচপাড়া। এখানে প্রায় ২০ হাজার লোকের বসবাস। এ ছাড়া রয়েছে ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল মাদরাসাসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাশের বালিজুরি গ্রামে রয়েছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি এনজিও অফিস ও বাজার। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পোড়াকাশিয়া থেকে নেমে আসা সোমেশ্বরী নদীর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব গ্রামবাসীরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জহুরুল হক জানান, বর্ষাকালে বেশিরভাগ সময়ে এ নদীতে পানি থাকে কানায় কানায়। পাহাড়ি ঢলে ক’দিন বন্ধ থাকে গ্রাামবাসীদের চলাচল। অবরোদ্ধ হয়ে পড়েন তারা। নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না ছাত্রছাত্রীরা। বর্ডারে টহল দিতে পারে না তাওয়াকোচা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা। প্রতিবেশি গ্রামের লোকজনেরাও যেতে পারে না ওইসব গ্রামে। কেউ অসুস্থ্য হলে চিকিৎসা করাতে পারে না। ফলে অনেক দরিদ্র পরিবারই দিন কাটান নিদারুণ কষ্টে। আবার এখানকার উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী, ফলমূল ও শাকসবজি বিক্রিতে চরম দুর্ভোগের শিকার হন তারা। এখানে আসা লোকজনদেরও পোহাতে হচ্ছে মারাত্মক সমস্যা।

বালিজুরি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক তাইয়েবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ব্রিজের অভাবে যুগ যুগ ধরে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সম্প্রতি তাদের মাঝে দাবি উঠেছে একটি ব্রিজ নির্মাণের। এতে বদলে যাবে গ্রামগুলোর চিত্র। নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারবে শিক্ষার্থীরা। নতুন করে স্বপ্ন দেখবে গ্রামবাসীরা। এমনটাই প্রত্যাশা করছেন গ্রামবাসীসহ গারো পাহাড়ের বাসিন্দারা।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা