kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

গৌরীপুরে প্রতিবাদী যুবক হত্যা

চার আসামি গ্রেপ্তার, প্রধান অভিযুক্ত অধরা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২১ মে, ২০১৯ ০১:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চার আসামি গ্রেপ্তার, প্রধান অভিযুক্ত অধরা

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে  মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যুবক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুরুজ্জামান জনি (৩২) হত্যা মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে গৌরীপুর থানা পুলিশ। কিন্তু প্রধান অভিযুক্ত নুরু মিয়া এখনো রয়েছে অধরা। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের নহাটা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪৮), সবুজ মিয়ার ছেলে শান্ত (২৫), মৃত আনির উদ্দিনের ছেলে নয়ন মিয়া (৬০) ও তার ছেলে শওকত ওসমান বাবু (২৫)। সোমবার তাদের আদালতের মাধমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় নুরুজ্জামান জনিকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী নুরু মিয়া (৪৫) ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে গৌরীপুরের মাওহা ইউনিয়নের নহাটা বাজারে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত রবিবার সন্ধ্যার পর নাম উল্লেখসহ ১৭ জন  ও  অজ্ঞাতনামা ৬ জনকে আসামি করে গৌরীপুর থানায় মামলা করেন নিহত যুবকের মা মোছা. দেলোয়ারা খাতুন ঝর্ণা। মামলা দায়েরের পর ওইদিন রাতে অভিযান চালিয়ে এজহারভুক্ত উল্লেখিত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে গতকাল সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে সোমবার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হলে বিজ্ঞ আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, নিহত জনি হচ্ছেন- গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের কুমড়ী গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমান মাস্টারের একমাত্র ছেলে। তিন বছর আগে তার বাবা মারা যান। এ অবস্থায় ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ভাল কোনো চাকরি জোটাতে পারেননি তিনি। 

ফলে স্থানীয় একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি সরকারের ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মী হিসেবে গৌরীপুর থানায় কর্মরত ছিলেন জনি। এসব করে যা আয় হতো তা দিয়েই বিধবা মাকে নিয়ে সংসার চালাতেন। অন্যদিকে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেরও নেতৃত্ব দিতেন। সেই সঙ্গে ছিলেন উপজেলার মাওহা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক। 

মন্তব্য