kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

কেন্দুয়ায় পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে যুবক খুন, আহত ৩

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৬ মে, ২০১৯ ২৩:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেন্দুয়ায় পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে যুবক খুন, আহত ৩

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় জোবায়ের হাসান (২৫) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। তাছাড়া হামলায় নিহতের বাবা-মা ও চাচাসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বুধবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে। এ ঘটনায় পুলিশ এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের আবুল কালাম বাঙালির ছেলে আশরাফুল বাঙালির কাছে কয়েক শ টাকা পেত রুহুল আমীন বাঙালির ছেলে জোবায়ের হাসান। এ নিয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে তাদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জের ধরে ওইদিন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আশরাফুল বাঙালির নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের লোকজন হাসানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। এ সময় হাসানকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা রুহুল আমীন বাঙালি, মা কল্পনা আক্তার ও চাচা ফারুক বাঙালিকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাদের চারজনকেই ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে এদের মধ্যে জোবায়ের হাসান সেখানে মারা যায়। তাছাড়া হামলায় আহত হাসানের বাবা রুহুল আমীন বাঙালি, মা কল্পনা আক্তার ও চাচা ফারুক বাঙালিকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে হামলার খবর পেয়ে ওইদিন রাতেই কেন্দুয়া থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এ সময় হামলায় নেতৃত্বদানকারী আশারাফুল বাঙালিকে আটক করা সম্ভব না হলেও তার বাবা আবুল কালাম বাঙালি ও মা ঝরনা আক্তারসহ একই গ্রামের বাসিন্দা খোকন বাঙালিকে পুলিশ আটক করে। তাছাড়া আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহজাহান মিয়া এবং কেন্দুয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহজাহান মিয়া কালের কণ্ঠকে জানান, হামলায় একই পরিবারের একজন নিহত এবং কয়েকজন গুরুতর আহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও তার বাবা ও মাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আশরাফুলকে ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা