kalerkantho

সেনবাগে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, মূল আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০১:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেনবাগে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, মূল আসামি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সেনবাগে এক কিশোরীকে (১৪) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে আবুল হাশেম রাজু (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রাজু উপজেলার কেশারপার ইউনিয়নের কানকির হাট বাজারের দোকানি আবদুল আজিজের ছেলে। 

এ ঘটনায় প্রথমে ধর্ষণচেষ্টার মামলা নেয় সেনবাগ থানা। পরে গতকাল মঙ্গলবার ভিকটিমের পরিবার নোয়াখালী পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করার পর সন্ধ্যায় সংশোধন করে ধর্ষণের মামলা নেয় তারা।

জানা যায়, কেশারপার ইউনিয়নের ওই কিশোরী গত ২৮ মার্চ বিকেলে সদাই কিনতে আজিজের দোকানে যায়। তখন দোকানে রাজু ছিলেন। রাজু মেয়েটিকে একটি পানীয় খেতে দিলে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে মেয়েটিকে রাজু ও তার সঙ্গীরা বাজারের একটি কমিউনিটি সেন্টারে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরদিন মেয়েটি থানায় গেলেও কোনো প্রতিকার পায়নি। সর্বশেষ শবেবরাতের রাতে রাজুর নেতৃত্বে চার-পাঁচজন যুবক মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে তাকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। 

মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন রাজুকে আটক করে সেনবাগ থানাকে জানালেও কেউ আসেনি। পরে বাড়ির লোকজন ৯৯৯-এ টেলিফোন করলে সেনবাগ থানার এএসআই নাছির এসে রাজু ও মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যান। রাতে তারা সেখানে ছিল। পরদিন রাতে পুলিশ ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলা নেয়। রাজুকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। 

এ ঘটনায় আগের ধর্ষণের বিষয়টি না আনায় মঙ্গলবার মেয়েটি সপরিবারে নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফকে জানায়। তিনি বিকেলে থানার ওসিসহ অন্যদের তলব করে এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আজ বুধবার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার কথা।

সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ভিকটিমের কথা অনুযায়ী মামলা হয়েছে। আগের কোনো বিষয় তিনি জানেন না।

পুলিশ সুপার জানান, ইতিমধ্যে মূল আসামি জেলহাজতে রয়েছে। আরো কেউ জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্য