kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

ফরিদপুরে অস্ত্র মামলায়

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আঞ্চলিক কমান্ডারের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ১৪:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আঞ্চলিক কমান্ডারের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ফরিদপুরে অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আঞ্চলিক কমান্ডার ফরিদ মৃধাকে (৩৩) দুটি ধারায় যথাক্রমে ১০ ও সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এ রায় দেন।

আদালত ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের অস্ত্সংক্রান্ত ধারায় (১৯ এ) আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং গুলি-সংক্রান্ত ধারায় (১৯ এফ) সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। তবে আসামিকে দুটি ধারায় দেওয়া অপরাধের শাস্তি একত্রে ভোগ করতে পারবেন।

রায় ঘোষণার সময় ওই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তায় ফরিদ মৃধাকে জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ফরিদ মৃধা ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার দক্ষিণ আলমনগর গ্রামের বাসিন্দা নূরু মৃধার ছেলে।

ফরিদপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী ওরফে বাবু মৃধা জানান, ২০১৬ সালের ২৬ আগস্ট রাত ১১টার দিকে চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের আব্দুল সিকদার ডাঙ্গি গ্রামে ফরিদ মৃধার মালিকানাধীন বিকাশ ও ধর্মীয় লাইব্রেরিতে অভিযান চালায় পুলিশ। চরভদ্রাসন থানার পুলিশ তালা ভেঙে ওই লাইব্রেরিতে প্রবেশ করে এবং ছয় তাক বিশিষ্ট একটি স্টিলের আলমারির তৃতীয় তাকে ধর্মীয় পুস্তকের আড়াল থেকে আট ইঞ্চি লম্বা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি নাইন এমএম পিস্তল, পাঁচটি গুলিসহ একটি ম্যাগজিন, একটি গুলিবিহীন খালি ম্যাগজিন ও দুটি লোহার ম্যাগজিন উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে ওই দিনই চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোতা মিয়া বাদী হয়ে চরভদদ্রাসন থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই থানার এসআই এমদাদুল হক ওই বছর ২৪ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে ফরিদ মৃধার নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিল ওই একই আদালত ফরিদ মৃধার নামে ভাঙ্গা থানায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় ১৪ বছর সশ্রম কারদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মন্তব্য