kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

কৃষক-শ্রমিকদের উৎসাহ দিতে হাওরে ধানকাটা কর্মসূচি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষক-শ্রমিকদের উৎসাহ দিতে হাওরে ধানকাটা কর্মসূচি

হাওরের কৃষক-শ্রমিকদের উৎসাহ দানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনসহ প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ একযোগে একই দিনে সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় হাওরে ধান কর্তন করেছেন।

আজ রবিবার জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে হাওরে ধান কাটা কর্মসূচি পালন করা হয়। কৃষক শ্রমিকদের উদ্ধুদ্ধ করতেই প্রশাসন প্রথম বারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচি পালন করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও কর্মসূচিতে শরিক হন।

এদিন দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরে ধান কাটতে যান। পড়নে হলুদ গেঞ্জি ও মাথায় গামছা নিয়ে কাস্তে হাতে কৃষকের মতো দল নিয়ে হাওরে নামেন জেলা প্রশাসক। এ সময় আশপাশের কৃষকরাও তাদের অভিনন্দন জানান। 

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বশির আহমেদ সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শফিউল আলম, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু, সাংবাদিক আইনুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

এদিকে একই দিন কৃষক শ্রমিকদের উৎসাহ দানের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বৃন্দ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে হাওরে নেমে ধান কেটেছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, দীর্ঘ তিন মাসের টানা সংগ্রাম করে হাওররক্ষা বাঁধ নির্মিত হয়েছে। এখন হাওর সোনার ধানে ভরপুর। সঠিক ভাবে কেটে গোলায় তোলতে পারলেই খুশি হাওরবাসী। কিন্তু শ্রমিক সংকটসহ প্রাকৃতিক নানা দুর্যোগের আশঙ্কায় শঙ্কিত কৃষক। কৃষক ও শ্রমিকদের উৎসাহ দিতেই আমরা সারা জেলায় একযোগে ধান কাটা কর্মসূচিতে শরিক হয়েছি।

মন্তব্য