kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

মাধবপুর-ধর্মঘর সড়কের বেহালদশা, দুর্ভোগ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাধবপুর-ধর্মঘর সড়কের বেহালদশা, দুর্ভোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মাধবপুর-ধর্মঘর আঞ্চলিক সড়কে চলাচলে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। সড়কজুড়ে অসংখ্য গর্ত আর খানাখন্দ। উপজেলা সদরসহ স্থানীয় তিনটি ইউনিয়নের প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ ছাড়াও উপজেলাসহ জেলাসদরে যোগাযোগের জন্য অসংখ্য লোক সড়কটির ওপর নির্ভরশীল। এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা শত শত যানবাহনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা ইউনিয়নবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তা ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মাধবপুর-ধর্মঘর সড়ক। দীঘদিন ধরে এ সড়কে বালুবাহী গাড়িসহ ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে অসংখ্য গর্ত আর খানাখন্দে ভরে আছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি ঘটে। সড়কটি সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের।

বহরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান আরিফ এবং চৌমুহনী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আপন মিয়া জানান, মাধবপুর-ধর্মঘর সড়কটি দক্ষিণ মাধবপুরবাসীর যাতায়াতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মঘর, চৌমুহনী ও বহরা ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার প্রায় দেড় লক্ষাধিক লোক এ সড়কে চলাচল করে। এ কারণে এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যথাসময়ে পরিবহন করতে না পেরে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ সড়কটি এমনই বেহাল যে হেঁটেও যাতায়াত করা কষ্টসাধ্য।

মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী বলেন, মাধবপুর-ধর্মঘর সড়কে চৌমুহনী পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার রাস্তা ১৮ ফুট প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হবে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়, হবিগঞ্জে টেন্ডার হয়েছে। অপরদিকে ধর্মঘর থেকে ৩ কিলোমিটার ৭ শ মিটারের কাজ শুরু হয়েছে। এলজিইডি হবিগঞ্জ জেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান, গত ৮ এপ্রিল উপরি-উক্ত সড়কের দরপত্র খোলা হয়েছে। এ মাসের মধ্যেই প্রক্রিয়া শেষ হবে। যত দ্রুত সম্ভব সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী জানান, স্থানীয় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। এ সড়কের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এলজিইডির মাধ্যমে সম্প্রতি টেন্ডারও হয়েছে। অতি দ্রুত সড়কের কাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য