kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ মে ২০১৯। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৭ রমজান ১৪৪০

মাহফিলে সরকারবিরোধী বক্তব্য, গ্রেপ্তার ৩

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মাহফিলে সরকারবিরোধী বক্তব্য, গ্রেপ্তার ৩

নীলফামারীর ডোমারে গতকাল শনিবার বিকেলে তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে সরকার ও আওয়ামী লীগকে কটাক্ষ করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ডোমার থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে ডোমার থানা পুলিশ। পুলিশ আজ রবিবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের জেলায় জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি মোল্লাপাড়ায় আমিনিয়া বায়তুল মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে (হোসাইনি সাহেবের বাড়ি সংলগ্ন) শনিবার বিকেলে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল চলাকালে যশোহরের প্রধান মুফাচ্ছির হযরত মাও. অধ্যাপক তৈয়বুর রহমান সরকার ও আওয়ামী লীগকে কটাক্ষ করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে মাহফিলের বিশেষ অতিথি ও ডোমার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো. করিমুল ইসলাম এর প্রতিবাদ করেন। এ সময় প্রধান মুফাচ্ছির হযরত মাও. অধ্যাপক তৈয়বুর রহমান তড়িঘড়ি করে বক্তব্য শেষ করে চলে গেলে হট্টগোল শুরু হয়। এতে শ্রোতারা চড়াও হয় পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো. করিমুল ইসলামের উপর। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এরা হলেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি মোল্লাপাড়ার মৃত হোসেন আলীর পুত্র মো. আব্দুল হামিদ হোসাইনি, মো. শামসুদ্দিন হোসাইনি, ইফসুফ আলীর পুত্র মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (উপ-পরিদর্শক) রফিক জানান, এ ঘটনায় তিনজনকে গতকাল রাতে (শনিবার) আটক করা হয়েছে। আজ রবিবার বিকেলে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। মো. করিমুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি ও ৪০/৫০ জন অজ্ঞাতকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এটা পরিকল্পিত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যাপারে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তাফিজুর রহমান মামলা ও তিনজনকে আটকের সত্যতা স্বীকার করেন।

আসামিদের পরিবার জানায়, মাহফিল চলাকালে প্রধান বক্তার একটি বক্তব্য নিয়ে প্রধান বক্তা ও করিমুল চাচার কথা কাটাকাটি হয়। প্রধান বক্তা তড়িঘড়ি করে বক্তব্য দিয়ে চলে যান। মাহফিলের মুসল্লিরা (শ্রোতারা) প্রধান বক্তাকে বক্তব্য দিতে বাধা দিচ্ছেন মনে করে তারা চড়াও হন। এটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।

উল্লেখ্য, যশোহরের প্রধান মুফাচ্ছির হযরত মাও. অধ্যাপক তৈয়বুর রহমান যশোহর মুক্তিযোদ্ধা কলেজ এলাকার বলে জানা গেছে। তিনি জাতীয় মুফাচ্ছির পরিষদের খুলনা বিভাগের সভাপতি বলে একটি সূত্র জানায়।

মন্তব্য