kalerkantho

পাকিস্তানি তরুণী ধর্ষিত

আল আমীনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০৩:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আল আমীনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দাদার বাড়িতে বেড়াতে আসা পাকিস্তানি তরুণীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আল আমীনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ধর্ষক আল আমীনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আশা করি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হব।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোপালপুর থানার এসআই মো. আসলাম উদ্দিন জানান, নির্যাতিত তরুণী ও তাঁর মা নিরাপত্তাজনিত কারণে কালিহাতী উপজেলায় এক আত্মীয়র বাড়িতে অবস্থান করছেন। আগামী ১২ মে তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হবে। আইনি লড়াইয়ের জন্য তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর কথা রয়েছে।

জানা যায়, গোপালপুরের এক ব্যক্তি ২২ বছর আগে পাকিস্তানের করাচিতে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে তিনি এক পাকিস্তানি নারীকে বিয়ে করেন। এই নারী তাঁর মেয়েকে (তরুণী) নিয়ে গত ১২ নভেম্বর পাঁচ মাসের ভিসাসহ গোপালপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে এক আত্মীয়র সঙ্গে পারিবারিকভাবে তরুণীর বিয়ের কথা পাকা হয়। অন্যদিকে আরেক আত্মীয় আল আমীন ওই তরুণীকে ‘ভালোবাসতে’ শুরু করে। কিন্তু সাড়া না পেয়ে সে তরুণীকে উত্ত্যক্ত করছিল। 

পারিবারিকভাবে বিষয়টি ফয়সালার চেষ্টা করা হয়। এদিকে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তরুণী ও তাঁর মা পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে আল আমীন কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তরুণীকে অপহরণ করে। জামালপুরের সরিষাবাড়ীর মহিষাকান্দি গ্রামের একটি বাড়িতে তাঁকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আল আমীন। 

এ ঘটনায় বুধবার রাতে তরুণীর মা আল আমীন, তার বাবা আবুল হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম ও অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। বৃহস্পতিবার মহিষাকান্দি থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার আনোয়ারা বেগমকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে পুলিশ তরুণীর জবানবন্দি নিতে দোভাষী চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে। 

মন্তব্য