kalerkantho

সোমবার । ২০ মে ২০১৯। ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৪ রমজান ১৪৪০

প্রবাসীর স্ত্রী গণধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ৫

সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রবাসীর স্ত্রী গণধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ৫

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে এক প্রবাসীর স্ত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের ইসলামনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভিকটিমের দায়ের করা মামলার পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিঙ্গাইর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- উপজেলার ইসলামনগর গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে ফজর আলী, আব্দুল মান্নান খানের ছেলে শিপন খান, মো. চুন্নু খানের ছেলে দিপু, আবুল হোসেনের ছেলে নাজমুল ও রবিউল দেওয়ানের ছেলে সুজন। তাদের রিমান্ড চেয়ে আজ রবিবার আদালতে পাঠানো হবে। 

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে উপজেলার ইসলামনগর গ্রামের কলেজছাত্রীর বিয়ে হয় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কালীনগর গ্রামের এক প্রবাসী ছেলের সঙ্গে। বিয়ের পর স্বামী প্রবাসে চলে যায়। এরপর ওই প্রবাসীর স্ত্রী জেলার হরিরামপুর উপজেলার আকাশ নামে এক কলেজ ছাত্রের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। গত শুক্রবার রাতে আকাশ প্রেমিকা দেখতে তার ইসলামনগর গ্রামের বাড়িতে আসে।

এ সময় ইসলামনগর গ্রামের ফজর আলী, শিপন খান, দিপু, নাজমুল ও সুজনসহ ৭ বখাটে যুবক প্রেমিক জুটিকে বাড়ির বাইরে নির্জন স্থানে ডেকে আনে। পরে আকাশকে বেধে রেখে তার প্রেমিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। ভোর রাতে আকাশ বিষয়টি মুঠোফোনে তার ভাইকে জানান। তার ভাই পুলিশ হেলপ লাইন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এ ব্যাপারে সহযোগীতা চান। পুলিশ হেলপ লাইন থেকে বিষয়টি সিঙ্গাইর থানা পুলিশকে জানান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। এমন খবরে শনিবার সকালে ভিকটিমসহ আকাশকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত ৫ যুবককে আটক করে থানা পুলিশ।

সিঙ্গাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, পুলিশ হেলপ লাইন থেকে খবর পেয়ে শনিবার সকালে আকাশ ও ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। পরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার প্রবাসীর স্ত্রী বাদি হয়ে অভিযুক্ত ৭ যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে মামলার পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ড চেয়ে আজ রবিবার আদালতে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য দু'জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য