kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

শরণখোলায় একবছরের ছেলেসহ ৮ দিন ধরে গৃহবধূ নিখোঁজ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শরণখোলায় একবছরের ছেলেসহ ৮ দিন ধরে গৃহবধূ নিখোঁজ

বাগেরহোটের শরণখোলায় একবছরের পুত্রসন্তানসহ নিখোঁজ হয়েছেন সাদিয়া আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ। গত ১৩ এপ্রিল (শনিবার) উপজেলার উত্তর খোন্তাকাটা গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন তিনি। এ ঘটনায় ১৫ এপ্রিল গৃহবধূর মা মালা বেগম বাদী হয়ে শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। আট দিনেও তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় উৎকণ্ঠায় রয়েছেন পরিবারের লোকেরা।

নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামী মো. আবু হানিফ পেয়াদা জানান, তিনি ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার আকন্দপাড়া দাখিল মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। গত ১৩ এপ্রিল (শনিবার) সকালে প্রতিদিনের মতো তিনি স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে রেখে মাদরাসায় যান। মাদরাসা ছুটির পর দুপুরে বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরে তালা লাগানো। স্ত্রী-সন্তানকেও পাওয়া যাচ্ছে না। ওই দিন তার মা এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় স্ত্রী সাদিয়া আক্তার ও তার একমাত্র সন্তান আবু সালেহ ছাড়া ঘরে অন্য কেউ ছিল না।

তিনি জানান, আশপাশের লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারেন ওই দিন তার স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সকাল ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন। হাতে একটি শপিং ব্যাগ ছিল। প্রতিবেশীরা জানতে চাইলে আমতলি বাজারে (বাড়ির কাছাকাছি বাজার) যাচ্ছি, এটুকই বলেন। কিন্তু এর পর তাদের আর কোনো খবর নেই। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়-স্বজনদেরকেও জানানো হয়েছে। তারাও খোঁজাখুঁজি করছেন।

উপজেলার উত্তর খোন্তাকাটা গ্রামের মৃত আ. মালেক পেয়াদার ছেলে আবু হানিফ আরো জানান, ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর পাশের উপজেলা মোরেলগঞ্জের পূর্ব চিপাবারইখালী গ্রামের বাদল মীরের মেয়ে সাদিয়ার সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। সেই থেকে তারা সুখে-শান্তিতেই বসবাস করে আসছেন। এ পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু তার মধ্যে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে না তার স্ত্রী। অন্য কারো সঙ্গে কোনোরকম সম্পর্ক থাকতে পারে তার আচার-আচরণে সেরকমটাও কখনো মনে হয়নি। এ অবস্থায় দুই পরিবারই দুঃশ্চিন্তায় রয়েছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার সরকার জানান, গৃহবধূ নিখোঁজের খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে।

মন্তব্য