kalerkantho

শনিবার । ২৫ মে ২০১৯। ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৯ রমজান ১৪৪০

গফরগাঁওয়ে বৈশাখি মেলায় 'ঝুঁকিপূর্ণ' খেলনা অস্ত্রের পসরা

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ১২:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গফরগাঁওয়ে বৈশাখি মেলায় 'ঝুঁকিপূর্ণ' খেলনা অস্ত্রের পসরা

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বৈশাখি মেলায় খেলনা অস্ত্রের পসরা সাজিয়েছেন দোকানীরা। সাধারণ খেলনা অস্ত্র থেকে শুরু করে ভয়াল দর্শন সব খেলনা অস্ত্র রাখা হয়েছে এসব দোকানে। কোমলমতি শিশু-কিশোররা এসব খেলনা অস্ত্র দিয়ে খেলার প্রতি বেজায় উৎসাহী। কিন্তু খেলার ছলে বড় হয়ে আসল অস্ত্রের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে তারা। তাই খেলনা হলেও অস্ত্রগুলো শিশুদের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ বলা যায়, এমনটাই মনে করছেন অভিভাবকরা। 

জানা যায়, পহেলা বৈশাখ থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিন বৈশাখি মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। মেলায় প্রতিটি দোকানে অন্য খেলনা সামগ্রীর চেয়ে ভয়ংকর সব মডেলের খেলনা অস্ত্রের সম্ভার দেখা যায়। এর মধ্যে এসএমজি, চাইনিজ বন্ধুক, পিস্তল, সর্টগানসহ বিভিন্ন খেলনা অস্ত্র রয়েছে। কোমলমতি ছোট শিশু থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যায়ের কিশোর-তরুণরাও এসব খেলনা অস্ত্র কিনে চোর-পুলিশ, যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলায় মেতে উঠছে।

ষোলহাসিয়া গ্রামের এক খেলনা ব্যবসায়ী বলেন, পহেলা বৈশাখ থেকে আমি প্রায় ২০টি মেলায় দোকান দিয়ে শতাধিক খেলনা বন্ধুক, পিস্তল বিক্রি করেছি। অন্য খেলনা সামগ্রীর চেয়ে খেলনা অস্ত্র বেশি বিক্রি হয়। লাভও বেশি। প্রতিটি এসএমজি বন্দুক ৫-৭ শ টাকায় বিক্রি করা যায়।

ধামাইল গ্রামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুক, এসব খেলনা অস্ত্র ভবিষ্যতে বাচ্চাদের সত্যিকারের অস্ত্রের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে। তাই এসব ভয়ংকর মডেলের খেলনা অস্ত্র বেচা-কেনা নিষিদ্ধ করা উচিত।

গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান বলেন, খেলনা অস্ত্রে শিশু-কিশোররা আনন্দ পায় বটে। তবে অস্ত্র দিয়ে অন্য শিশুদের ভয় দেখানোর বিষয়টা তাদের কোমলমনে প্রভাব ফেলতে পারে। সেটা ভবিষ্যতে মঙ্গলজনক নাও হতে পারে। 

মন্তব্য