kalerkantho

বুধবার । ২২ মে ২০১৯। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৬ রমজান ১৪৪০

মেয়ের দিকেও লোলুপ দৃষ্টি, বাধ্য হয়ে মা থানায়

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেয়ের দিকেও লোলুপ দৃষ্টি, বাধ্য হয়ে মা থানায়

প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে মোহাম্মদ আলী উজ্জল নামে এক যুবকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এক নারী। দীর্ঘ চার বছর তার সাথে সম্পর্ক রাখার পর যুবক যখন তার মেয়ের দিকে লালসার কুৎসিত হাত বাড়াল, হুমকি দিল রাজি না হলে তার সাথে সম্পর্কের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবে- তখনই ভুক্তভোগী নারী ওই যুবকের বিরুদ্ধে করে বসলেন মামলা। গত মঙ্গলবার রাতে মানিকগঞ্জ সদর থানায় এই ধর্ষণ মামলাটি করা হয়।

মামলার এজাহার ও ওই নারীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী উজ্জলের বাড়ি ঘিওর উপজেলার হেলাচিয়া গ্রামে। প্রেম-ভালোবাসার কথা বলে উজ্জল তার সাথে সম্পর্কে গড়ে তোলে। এই সম্পর্কের সূত্রে বিভিন্ন এনজিও থেকে তাকে দিয়ে প্রায় আট লাখ টাকা ঋণ উত্তোলন করায়। কিস্তির টাকা শোধ করা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে উজ্জলের সাথে তার সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছিল। গত মঙ্গলবার কিছু টাকা দেওয়ার কথা বলে উজ্জল তাকে মানিকগঞ্জে শহরের সেওতা এলাকায় মনিরা বেগম নামের এক নারীর বাসায় যেতে বলে। ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ওই বাড়িতে যান। তিনি অভিযোগ করেন, ওই বাড়িতে যাওয়ার পরও উজ্জল তাকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। পরে তার মেয়েকে ইঙ্গিত করে অশ্লীল প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে তার সাথে সম্পর্কের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে এগিয়ে গেলে উজ্জল তার মোবাইলফোন ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।  

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, উজ্জ্বল এবং মনিরা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে পাঠানো হয়েছে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে। উদ্ধার হওয়া মোবাইলফোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. লুত্ফর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার গতকাল বুধবার সম্পন্ন হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।

মন্তব্য