kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

আড়াইহাজারে পুলিশকে ছাত্রলীগ নেতার মারধর

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০২:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আড়াইহাজারে পুলিশকে ছাত্রলীগ নেতার মারধর

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আটক এক তরুণকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার গোপালদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এটিএসআই মামুনের ওপর এই হামলা চালিয়েছেন গোপালদী পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজয় সাহা ও তাঁর সহযোগীরা। 

জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রদী গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে দিদার ইসলামকে গোপালদী বাজারের কলেজ রোড থেকে সন্দেহবশত আটক করে পুলিশ। জানতে পেরে গোপালদী পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজয় সাহা দিদারকে ছাড়িয়ে আনতে তদন্ত কেন্দ্রে যান। 

এ সময় পুলিশ তাঁকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে সুজয় সাহা পুলিশকে গালাগাল করেন। এটিএসআই মামুন এর প্রতিবাদ করলে সুজয় ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর শুরু করেন। মোবাইল ফোনে তিনি সহযোগীদের তদন্ত কেন্দ্রে ডেকে এনে সম্মিলিতভাবে পুলিশের ওপর হমলা চালাতে থাকেন। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানার ওসি  আক্তার হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সুজয় ও  দিদারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। 

হামলায় আহত এটিএসআই মামুন, কনস্টেবল আবুল বাশার ও ইমরানকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। ওসি জানান, পুলিশকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

গোপালদী পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ আপন জানান, দিদার এইচএসসি পরীক্ষার্থী। কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিনি অপরাধমূলক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। তাঁকে ছাড়িয়ে আনতে তদন্ত কেন্দ্রে গেলে পুলিশ সুজয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। 

গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নাসির উদ্দিন জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে গোপালদী কলেজ রোড এলাকায় বখাটের উত্পাত বেড়ে গেছে। তাই পুলিশ ডিউটি দেওয়া হয়েছে। ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশ একটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখে তাঁকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। নির্দোষ হলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। অথচ এরই মধ্যে সুজয় তদন্ত কেন্দ্রে এসে পুলিশের ওপর হামলা চালান।

মন্তব্য