kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

ঠোঙার দোকানে গেল বিনা মূল্যের বই!

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি    

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১২:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঠোঙার দোকানে গেল বিনা মূল্যের বই!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শহীদ মিয়ার ঠোঙার দোকানে পাঠ্য বই। ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা সদরে গত শনিবার একটি ঠোঙা তৈরির দোকানে প্রায় ৩৮ মণ সরকারি বই পাওয়ার ঘটনা নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে আলোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে চার সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদরে তিতাস নদীর পারে অবস্থিত শহীদ মিয়ার ঠোঙা তৈরির দোকানে শনিবার দুপুরে একাধিক ভ্যানগাড়ি থেকে অসংখ্য বই নামাতে দেখে স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে আশপাশের দোকানে কানাঘুষা শুরু হয়। একপর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ইতি বেগম।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দোকানের ভেতরে স্তূপ আকারে রাখা বিনা মূল্যের শত শত বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠা ছেঁড়া। দোকানি শহীদ মিয়া বলেন, ১২ টাকা কেজি দরে প্রায় ১৮ হাজার টাকায় এসব বইখাতা নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কিনেছেন তিনি। বইয়ের মলাটগুলো আগে থেকেই ছেঁড়া ছিল বলেও তিনি জানান।

একাডেমিক সুপারভাইজার ইতি বেগম বলেন, ‘এভাবে বই বিক্রির কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকাররম হোসেন বলেন, ‘সরকারি যেকোনো জিনিস নিলাম ছাড়া বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।’

নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাউছার বেগম বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষক নীহার স্যারকে বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ পরিষ্কার করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি যে ওই দুটি কক্ষ থেকে সব বই বাইরে বিক্রি করে দেবেন, তা বুঝতে পারিনি।’

বিদ্যালয়ের শিক্ষক নীহার রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক আমাকে যেভাবে বলেছেন, আমি সেভাবেই কাজ করেছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বলেন, ‘তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা