kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

গফরগাঁওয়ে কীটনাশক পানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১২:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গফরগাঁওয়ে কীটনাশক পানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে হৃদযন্ত্রের ব্যথায় অতিষ্ঠ হয়ে নার্গিস আক্তার (৪৯) নামে এক গৃহবধূ কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটে গতকাল সোমবার সন্ধায় উপজেলার রৌহা গ্রামের কালিরহাট এলাকায়। পুলিশ মধ্যরাতে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ইউপি সদস্য বাদী হয়ে রাতেই গফরগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রৌহা গ্রামের কালিরহাট এলাকার কিতাব আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার দীর্ঘদিন যাবৎ হৃদযন্ত্রের রোগে ভুগছিলেন। পারিবারিকভাবে অনেক জায়গায় চিকিৎসা করালেও রোগ ভালো হয়নি। মাঝে মধ্যে নার্গিস আক্তার হৃদযন্ত্রের ব্যথায় কাতরাতেন ও অতিষ্ঠ হয়ে উঠতেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর নার্গিস আক্তার হৃদযন্ত্রের ব্যথায় অতিষ্ঠ হয়ে নিজ ঘরে কীটনাশক পান করেন। পরে বাড়ির লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নার্গিস আক্তার মারা যান। 

তবে পরিবারের দাবি কীটনাশক পানে নয় নার্গিস আক্তার হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। 

খবর পেয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত ১২টার দিকে নিহতের বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে রাতেই নিহতের পিতা স্থানীয় ইউপি সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস গফরগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

ওসি গফরগাঁও বলেন, সম্ভবত হৃদযন্ত্রের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে নার্গিস আক্তার কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত অপমৃত্যু মামলা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা