kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

ধামইরহাটে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি    

১৫ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধামইরহাটে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

নওগাঁর ধামইরহাটে নবম শ্রেণি পড়ুয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক কিশোরীকে (১৪) অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ছাত্রীর পরিবারই এই অভিযোগ তুলেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুজন হাঁসদা নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।

ধামইরহাট থানার পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর বাড়ি ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের কাজলগ্রামে। সে উপজেলার পূর্ব নন্দনপুর উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। গতকাল রবিবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে বর্ষবরণের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে সে বাড়ি থেকে বের হয়। বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান শেষে ওই কিশোরী বান্ধবীদের সঙ্গে আত্রাই নদীর ধারে উপজেলার শিমুলতলীতে সামাজিক বনায়ন এলাকায় বেড়াতে যায়। বনায়ন এলাকায় একপর্যায়ে একা পেয়ে সুজন হাঁসদা নামের এক তরুণ কিশোরীটির পথ রোধ করে দাঁড়ায়। এরপর সুজন নানা ভয়ভীতির মুখে কিশোরীটিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে সাপাহার উপজেলার গোপালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ধামইরহাট থানা পুলিশ রবিবার রাত আড়াইটার দিকে সুজন হাঁসদার বাড়ি থেকে কিশোরীটিকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ সুজন হাঁসদাকে  গ্রেপ্তার করে।

ওই কিশোরীর বাবা জানান, তাদের গ্রামে (কাজল গ্রাম) সুজনের বোনের বিয়ে হয়েছে। এই সুবাদে সে (সুজন) প্রায়ই তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসত। মাঝেমধ্যেই সে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি জানার পর তার বোন ও দুলাভাইয়ের কাছে অভিযোগ করা হয় এবং তাকে কাজল গ্রামে আসতে বারণ করা হয়। এই ক্ষোভে সুজন তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে।

মেয়ে উদ্ধারের পর আজ সোমবার তিনি ধামইরহাট থানায় মামলা করেন। মামলায় সুজনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সুজনকে আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা