kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

ছাতকে দপ্তরি নিয়োগে অনিয়ম এখন 'টক অব দ্য টাউন'

ছাতক প্রতিনিধি   

২০ মার্চ, ২০১৯ ১৩:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছাতকে দপ্তরি নিয়োগে অনিয়ম এখন 'টক অব দ্য টাউন'

ছাতকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের বিষয়টি এখন 'টক অব দ্য টাউন' এ পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এ-সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগ জেলা-উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দিচ্ছেন নিয়োগবঞ্চিতরা। বিষয়টি নিয়ে অফিসপাড়া ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সমালোচনা চলছে।

উপজেলার কারারুকা ইউনিয়নের পীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগবঞ্চিত পীরপুর গ্রামের গিরিজা কান্ত দাসের পুত্র গোবিন্দ দাস ও একই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা উপেন্দ্র মালাকারের পুত্র দিপক মালাকার গতকাল মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে পৃথক অভিযোগ দেন।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান দিপক মালাকারের অভিযোগ থেকে জানা যায়, পীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে তিনজন প্রার্থী আবেদন করে। এতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। যথারীতি অন্য দুই প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হলেও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান দিপক মালাকারের পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়নি। বিধিবহির্ভূতভাবে দুজনের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে তিনজনের নাম পরীক্ষা তালিকায় দেখানো হয়। নিয়োগবিধি অনুযায়ী একটি পদের বিপরীতে অন্তত তিনজন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। 

এখানে নিয়োগবিধি উপেক্ষা করে স্কুল কমিটির সভাপতির ভাতিজাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগপ্রত্যাশী তিনজনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দিপক মালাকার কাগজপত্র সঠিক নয় বলে তার পরীক্ষা নেওয়া হয়নি, অপরজন গোবিন্দ দাস নিয়োগ বোর্ডের জনৈক ব্যক্তির উৎকোচের দাবি ১ লাখ টাকা পূরণ করতে পারেনি বলে তার নিয়োগ হয়নি এমন কথাই তার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া উপজেলার দেবেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি হিসাবে তপু দত্ত নামের একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যার জন্মদিন ১৫ মার্চ ১৯৭১, বিধিমালা অনুযায়ী যা সম্পুর্ণ অবৈধ। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহর যোগসাজশে তথ্য গোপণ করে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ পেয়েছে ক্যাচম্যান্ট এলাকার বাইরের ইসলামপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মোশারফ হোসেন। ক্যাচমেন্ট এলাকার নিয়োগপ্রত্যাশী বাতিরকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ূমের পুত্র ফরিদ আহমদ এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ছাড়া উপজেলার কুমনা, বাতিরকান্দি, কাড়ইলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় সদ্য নিয়োগ দেওয়া সব ক’টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ প্রদানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী জানান, কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। টিম গঠন করে তদন্ত করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা