kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

মোবাইল ফোনে পরিচয়ের পর কিশোরী ধর্ষণ

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোবাইল ফোনে পরিচয়ের পর কিশোরী ধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার হাটাব এলাকায় এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সুবাদে সাহাদাত হোসেন নামের এক যুবক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষক সাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহাদাত হোসেন র‍্যাবের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সাহাদাত রূপগঞ্জ উপজেলার মধুখালী এলাকার মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে। গতকাল সোমবার দুপুরে র‍্যাব-১-এর সিপিসি-৩-এর পূর্বাচল কোম্পানি কমান্ডার মেজর আব্দুল্লাহ আল মেহেদী ও এএসপি সুজয় সরকার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন। 

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, গত দু-তিন মাস আগে ওই কিশোরীর পারিবারিক দারিদ্র্যের সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সুমন নামের এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা চলতে থাকে। সুমন ও সাহাদাত হোসেন দুজনই বন্ধু। কিশোরীর সঙ্গে সুমন বা সাহাদাত কারো আগে দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। এরই মধ্যে সাহাদাত হোসেন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করার পরিকল্পনা করে গত ২৪ জানুয়ারি সুমন সেজে কিশোরীকে দেখা করার কথা বলে। নির্ধারিত দিনে দেখা করার একপর্যায়ে ওই কিশোরীকে তাজমহল পিরামিড (রাজমনি পিরামিড) হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উত্তেজক ও নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে সাহাদাত ধর্ষণ করে। এ ছাড়া কয়েকজনের সহযোগিতায় ধর্ষণের কিছু অংশ ভিডিও ধারণ করে ঘটনা গোপন রাখার জন্য হুমকি দেয়। 

এদিকে ধর্ষিত কিশোরীর মা গত ৩ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় সুমনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। ঘটনার সহযোগীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় র‍্যাব। 

উল্লেখ্য, সুমন ও সাহাদাত হোসেনসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টকর্মী, স্কুলছাত্রী, গৃহবধূকে ফাঁদে ফেলে নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা