kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

‌'গ্রামকে শহর করতে হলে নদী ভাঙন রোধ করতে হবে'

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০১:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‌'গ্রামকে শহর করতে হলে নদী ভাঙন রোধ করতে হবে'

ছবি : কালের কণ্ঠ

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এ এম নাঈমুর রহামান দুর্জয় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশের প্রত্যেকটি গ্রাম হবে শহর। গ্রামকে শহরে পরিণত করতে হলে সকল ধরনের নাগরিক সুবিধা থাকতে হবে। আর এ নাগরিক সুবিধার জন্য অবশ্যই নদী ভাঙন রোধ করতে হবে। ভাঙন রোধে নদীতে ড্রেজিং, নদী শাসনে বেড়িবাঁধ প্রয়োজন রয়েছে। ভাঙন রোধ করতে পারলেই এ এলাকায়  প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বড় বড় বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

শনিবার বিকেলে নদী ভাঙন রোধে প্রকল্প গ্রহণপূর্বক মানিকগঞ্জের শিবালয় ও দৌলতপুরের পদ্মা-যমুনা বিস্তীর্ণ নদী ও পার এলাকা পর্যবেক্ষণে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এ সময় সিআরসিসি হারবোয়ার এন্ড চ্যানেল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো গ্রুপ কম্পানি লিমিটেড ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুইমিংগু ও বিজনেস ম্যানেজার ইসাস-হু, মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মওলা মো. মেহেদী হাসান, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, ওসি মিজানুর রহমান, আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, বাচামারা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এমপি দুর্জয় আরো জানান, নদী ভাঙন রোধ করা সম্ভব হলেই চরের মানুষগুলো স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে। এ ছাড়া, মানিকগঞ্জ ঢাকার অতিনিকটে হওয়ায় এ এলাকায় ব্যাপক শিল্প কারখানা গড়ে উঠার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ইকনোমিক্যাল জোন ও আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, সোলার বিদ্যুৎ প্ল্যান্টসহ নানা ধরনের স্থাপনা গড়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পর্যটনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা