kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

সুবর্ণচরে থানা কোয়ার্টারে মিলল নারী কনস্টেবলের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০২:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুবর্ণচরে থানা কোয়ার্টারে মিলল নারী কনস্টেবলের লাশ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর থানা কোয়ার্টার থেকে শিপ্রা রানী দাস (২২) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের ঝুলন্ত মৃতদেহ শুক্রবার দুপুর ২টায় উদ্ধার করেছে চরজব্বর থানা  পুলিশ। শিপ্রা রানী দাস কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার ফুলতলী গ্রামের মৃত অনিল চন্দ্র দাসের মেয়ে। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে শিপ্রা ছোট ছিল। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্বামী রাজিব দে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনে পুলিশ সদস্য হিসেবে কর্মরত আছে।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহেদ উদ্দিন জানান, শিপ্রা রাণী দাস চর জব্বর থানায় প্রায় ৬ মাস আগে যোগদান করে। থানা কোয়ার্টারের একটি কক্ষে শিপ্রা রানীসহ পাঁচ নারী পুলিশ সদস্য থাকতো। তাদের মধ্যে একজন ছুটিতে রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে অপর তিনজন খাওয়া আনার জন্য কক্ষের বাহিরে গেলে, শিপ্রা ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে, অন্য নারী পুলিশ সদস্যরা দরজা বন্ধ থাকার বিষয়টি জানালে, দরজা ভেঙে, গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিপ্রা রানী দাসের মা সরলা রানী দাস তার মেয়ের গলায় ফাঁস দেওয়ার কথা শুনে, কুমিল্লা থেকে চরজব্বরের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন। তিনি জানান, শিপ্রার বাবা কয়েক বছর আগে মারা যায়। ২০১৪ সালে শিপ্রা বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করে। দেবীদ্বার এলাকায় রাজিবের সঙ্গে প্রেমের সূত্র ধরে ২০১৭ সালের ১০ জুলাই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রাজিবকে নগদ ১ লাখ টাকা, ৪ ভরি সোনা ও আসবাবপত্র দেওয়া হয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাজিব মাদকাসক্ত ছিল এবং বিভিন্ন সময় টাকার জন্য শিপ্রাকে মারধর করতো। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা