kalerkantho

নাতির ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল নানার

পীরগাছায় নিখোঁজ যুবকের অর্ধগলিত লাশ

প্রিয় দেশ ডেস্ক    

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০৫:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নাতির ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল নানার

কুষ্টিয়ার খোকসায় নাতির ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেছে নানার। রংপুরের পীরগাছায় নিখোঁজের চারদিন পর এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে : 

কুষ্টিয়া : খোকসা উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে গত রবিবার রাতে নাতির ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেছে নানা মজিবুর রহমানের (৭৫)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাতি নাঈমকে আটক করেছে পুলিশ। পরে নাঈমের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার মামি সামিয়াকে আটক করা হয়। 

এ ব্যাপারে খোকসা থানার ওসি এবিএম মেহেদী মাসুদ জানান, বেশকিছু দিন ধরেই মজিবুরের বড় মেয়ের বড় ছেলে নাঈমের সঙ্গে মেজ ছেলের স্ত্রী সামিয়ার মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক চলছিল। রবিবার রাতে ঢাকা থেকে এসে নাঈম নানা বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে একটি ঘরে ছেলের বউয়ের সঙ্গে নাতিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন মজিবুর। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাবে- এ ভয়ে নাঈম তার নানাকে ঘর থেকে বারান্দায় বের করে এনে বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। 

অন্যরা মজিবুরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই কুমারখালীতে নিজ বাড়ি থেকে নাঈমকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মজিবুরের বাড়ি থেকে তার ছেলের বউ সামিয়াকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

রংপুর : পীরগাছা উপজেলায় নিখোঁজের চারদিন পর ফিরোজ মিয়া (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সকালে ওই যুবকের বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নির্মাণাধীন একটি গুচ্ছগ্রাম থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। ফিরোজ কাবিলাপাড়া গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন- কাবিলাপাড়ার টিপু, শাহিন মিয়া, সুলতান হোসেন ও পাশের দোয়ানী গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে জাহিদুল ইসলাম। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পীরগাছা থানার ওসি রেজাউল করিম। 

পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ফিরোজ নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তাঁর বাবা শনিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এদিকে আটককৃতদের সঙ্গে ফিরোজকে স্থানীয় কান্দি বাজারের একটি চায়ের দোকানে বৃহস্পতিবার শেষবারের মতো দেখা গেছে। ফিরোজের বাবা আমির বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। তবে নিখোঁজের দিন তার সঙ্গে লক্ষাধিক টাকা ছিল। ওই টাকা হাতিয়ে নিতেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।’ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা