kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৪ অক্টোবর ২০১৯। ৮ কাতির্ক ১৪২৬। ২৪ সফর ১৪৪১       

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

মির্জাপুরে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সরব, বিএনপি নীরব

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৫:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মির্জাপুরে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সরব, বিএনপি নীরব

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগ্রহের শেষ নেই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার তৃণমূলের। চায়ের টেবিল থেকে রাজনীতির টেবিল পর্যন্ত মির্জাপুরের সর্বত্রে চলছে আগামী উপজেলা নির্বাচনের মনোভাব এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা।

এলাকায় শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ। জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থী সরব থাকলেও অপরদিকে নীরব বিএনপি। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থী ও সমর্থকরা তাদের ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজেও প্রচারণা চালাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও টানা দুইবারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু। তিনি উপজেলার গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের টানা পাঁচবারের ইউপি চেয়ারম্যান। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও হংকং শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ লিটন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক স্থানীয় এমপি একাব্বর হোসেনের এপিএস শামীম আল মামুন, উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ হেল সাফি, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সাবেক সহকারি একান্ত সচিব তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজীব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু রায়হান সিদ্দিকী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আকন্দ, ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম মনির ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস।

এদিকে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু আহমেদ।

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে গণংসযোগ করতে দেখা গেলেও বিএনপি ও অন্যান্য দলের কাউকে এখনও মাঠে দেখা যাচ্ছে না।

মীর এনায়েত হোসেন মন্টু গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের টানা পাঁচবারের চেয়ারম্যান থাকার সুবাদে ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেন। তিনি টানা দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পরও বিভিন্ন ইউনিয়নে রাস্তার উন্নয়ন করেছেন।

আবুল কালাম আজাদ লিটন। তিনি জনপ্রতিনিধি না হলেও এলাকার রাস্তার উন্নয়নে নিজের অর্থ ব্যয় করছেন। 

এছাড়া অসহায় নিরীহ মানুষের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

শামীম আল মামুন। তিনি মির্জাপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের ব্যানারে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও ২০০০ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এবার তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে জনগণের মুখোমুখি হচ্ছেন। বর্তমান যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। এমপির এপিএস থাকার সুবাদে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করায় এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

আব্দুল্লাহ হেল সাফি। তিনি উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারে সাবেক চেয়ারম্যান। তার স্ত্রী মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

এছাড়া তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজীব, আবু রায়হান সিদ্দিকী ও আমিনুর রহমান আকন্দ রাজনীতির মাঠে অভিজ্ঞ হলেও নির্বাচনে একবারেই তারা নতুন মুখ। তারা উপজেলায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা