kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

বাল্য বিয়ে

পুলিশ আসার খবরে পালাল বর-কনের পক্ষের লোকজন, রক্ষা পেল শিক্ষার্থী

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশ আসার খবরে পালাল বর-কনের পক্ষের লোকজন, রক্ষা পেল শিক্ষার্থী

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পুলিশ আসার খবর পেয়ে বাল্য বিয়ের আসর থেকে পালাল বর ও কনে পক্ষের লোকজন। এতে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনাটি ঘটেছে গফরগাঁও উপজেলার আউট বাড়িয়া গ্রামে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শারফুল ইসলামের(২৫) সাথে আউট বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর(১৫) বিয়ে ঠিক হয়। গতকাল রবিবার বিকেলে এই বিয়ে উপলক্ষে কনে পক্ষের শতাধিক লোকের খাওয়ার ব্যবস্থাসহ বিয়ের সব আয়োজন করা হয়। যথা সময়ে বর পক্ষের লোকজন কনের বাড়িতে উপস্থিত হয়। কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের জরুরী সেবা নম্বর ৯৯৯-এ একজন ফোন করে বিষয়টি গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল আহাদ খানকে অবহিত করলে তিনি এসআই নূর শাহীনকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিয়ে বাড়িতে পাঠান। এ সময় পুলিশ আসার খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে থাকা বর ও কনে পক্ষের লোকজন দ্রুত পালিয়ে যায়। এ অবস্থায় এস আই নূর শাহীন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন ও ইউপি সদস্য সুমন মিয়ার উপস্থিতিতে বর ও কনে পক্ষের লোকজনকে ডেকে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন সম্পর্কে অবহিত করে সমঝোতার মাধ্যমে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করেন। 

এস আই নূর শাহীন বলেন, দুই পক্ষকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন সম্পর্কে অবহিত করি এবং বেগম রোকেয়া দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাল্য বিয়ের ব্যাপারে তাদেরকে নিরৎসাহিত করি। পরে উপস্থিত ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজন বাল্য বিয়েটি হবে না মর্মে আশ্বস্থ করলে সঙ্গীয় ফোসসহ আমি থানায় চলে আসি। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন বলেন, পুলিশ আসায় দুই পক্ষের সম্মতিতে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গফরগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল আহাদ খান বলেন, সচেতন এক ব্যক্তি পুলিশের সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করায় ফোর্স পাঠিয়ে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা