kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

বিএনপি নেতার হোটেলে জমজমাট মাদক ব্যবসা

বিএনপি নেতা উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা   

২২ অক্টোবর, ২০১৮ ০২:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিএনপি নেতার হোটেলে জমজমাট মাদক ব্যবসা

হোটেল ব্যবসার আড়ালে কুমিল্লার আলেখার চরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতার মায়ামি হোটেলে চলতো জমজমাট মাদক ব্যবসা। আর এ ব্যবসা চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই। র‌্যাবের অভিযানে মায়ামি হোটেল থেকে বিপুল পরিমাণ বিয়ার, ফেনসিডিল, মদসহ দুইজনকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। র‌্যাব বাদি হয়ে রবিবার বিকালে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় বুড়িচং উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ টি এম মিজানুর রহমানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর বিষয়টি টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
 
গতকাল শনিবার রাত ৮টায় হোটেলের ৩য় তলায় অবস্থিত স্টোর রুম থেকে ১৯৪৪ ক্যান বিয়ার, ২২ বোতল ফেন্সিডিল, ৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করে র‌্যাব। ওই হোটেলে মাদক কেনা বেচার জন্য মজুদ করা হয়েছে। 
 
র‌্যাবের উপ পরিচালক স্কোয়াড্রন লিডার মো. রেজাউল হক জানান, র‌্যাব কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারে যে, কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি থানাধীন আলেখার চরস্থ মায়ামি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে কিছু ব্যক্তি মাদকদ্রব্য বেচাকেনার উদ্দেশে মজুদ করেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে হোটেলের ৩য় তলায় অবস্থিত স্টোর রুম থেকে ১৯৪৪ ক্যান বিয়ার, ২২ বোতল ফেন্সিডিল, ৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। 
 
এ সময় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সুন্দরম গ্রামের কবির আহম্মেদ ইয়াসিন হোসেন, কবির হোসেনের ছেলে মো. মহসিন (২০)কে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা র‌্যাবকে জানায়, তারা তাদের অন্যান্য সহযোগীদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে মায়ামি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
 
র‌্যাবের উপ-পরিচালক স্কোয়াড্রন লিডার মো. রেজাউল হক শনিবার রাতে জানান, সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। রবিবার বিকালে র‌্যাব কুমিল্লা এর ডিএডি রবিউল হক বাদি হয়ে বুড়িচং উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ টি এম মিজানুর রহমানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 
 
বাকি আসামিরা হচ্ছেন- গ্রেপ্তারকৃত সুন্দরম গ্রামের কবির হোসেনের ছেলেন ইয়াসিন হোসেন, কবির হোসেনের ছেলে মো. মহসিন,  হোটেলের ম্যানেজার গাজী মোহাম্মদ আাল খামিনি। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশে নিজ দখলে মজুদ রাখা ও সহায়তার অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক জানান, র‌্যাবের গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা