kalerkantho

রবিবার । ২৫ আগস্ট ২০১৯। ১০ ভাদ্র ১৪২৬। ২৩ জিলহজ ১৪৪০

চাটমোহর-মান্নান নগর সড়কের বেহাল দশা

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চাটমোহর-মান্নান নগর সড়কের বেহাল দশা

পাবনার চাটমোহর-মান্নান নগর সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি ও পার্শ্বরাস্তা ধ্বসের কারনে যান চলাচল মারাত্মক হুমকীর মুখে পড়েছে। এতে করে প্রায় সময়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাস্তার ধ্বস রোধ ও রাস্তাটি অতি দ্রুত সংস্কার না হলে যে কোনো মূহুর্তে মান্নান নগর ও এর আশপাশের চলাচলকারী জনসাধারণ চাটমোহর উপজেলা সদরে আসা যাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন ঐ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কোমল পানীয় বোঝাই একটি অটোভ্যান খন্দে ভর্তি রাস্তার গর্তে পরে নিমিষে উল্টে গেল। কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না চালক। সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলেন আশ পাশের মানুষ। দুই তিন মিনিটের মাথায় পথচারীসহ পাঁচ ছয়জন ব্যক্তি উল্টে যাওয়া ভ্যানটি রাস্তার গর্ত থেকে তুলে দিতে এগিয়ে এলেন। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টার পর ভ্যানটি তুলতে সমর্থ হন তারা। আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন চালক। ফের তিনি রওনা হলেন গন্তব্যে।

এরপর কিছু সময় রাস্তা দিয়ে যেতেই দেখা গেল রাস্তার গর্তে পরে আটকে আছে ঢাকা মেট্রো-২২-৩৬০৪ নম্বরের একটি ট্রাক। ট্রাকের চালক সোহেল রানা জানান, ভাঙ্গুড়া থেকে ১০ টন ধান বোঝাই দিয়ে গত রাত ১১ টার দিকে এ পথ হয়ে ঢাকায় যাবার পথে এখানে ট্রাকটি শুকনো রাস্তায়ই গর্তে পরে যায়। ট্রাক তোলার চেষ্টা করলে গর্তটিও ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। রাস্তার সাথে লেগে যাওয়ায় ট্রাকের সামনের শেফটের ক্রসটিও ভেঙ্গে যায়। বিকেল পর্যন্ত ট্রাকটি গর্ত থেকে উত্তোলন করতে পারেনি চালক।

এ সড়কে এমন ঘটনা ঘটছে প্রায় প্রতিদিনই। প্রায় আড়াই বছর আগে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। রাস্তার কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারের চরম স্বেচ্ছাচারিতার কারনে রাস্তাটি আজ চলাচলের অনুপোযোগী হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এখন যার ফল ভোগ করছেন এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহন চালকেরা। রাস্তাটির শত শত যায়গায় এমন খানা খন্দে ভরপুর হওয়ায় সিএনজি অটোরিকশার চালক যাত্রী মোটরসাইকেল চালকরাও ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন গন্তব্যে। খানা খন্দে পরে নষ্ট হচ্ছে গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ। এলাকাবাসী অতি দ্রুত জনবহুল এ রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে রোডস এন্ড হাইওয়ে পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ রায় কালের কণ্ঠকে জানান, এ রাস্তায় ২০ টনের অধিক পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করার নিয়ম না থাকলেও ৩০ থেকে ৪০ টন মালবাহী ট্রাকও চলাচল করছে। ফলে আমরা সংস্কার করলেও তা টেকসই হচ্ছে না। তবে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা সচেষ্ট আছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা