kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

'যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ পিছিয়ে থাকবে না'

নাটোর প্রতিনিধি    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৮:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ পিছিয়ে থাকবে না'

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, তথ্য প্রযুক্তির সমৃদ্ধিই বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও এর সাথে অপার সম্ভাবনাময় যুব শক্তির সংযোগ ঘটিয়ে খুব সহজেই এই সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। এভাবেই আমরা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে মধ্যম আয়ের প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী আজ বুধবার নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল এলাকায় ৫.২০ একর জমির উপরে ১৫৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে দেশের প্রথম হাই-টেক পার্ক নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উত্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল ও কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, নাটোর জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুশান্ত কুমার মাহাতো ও দমদমা পাইলট স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।

এতে সভাপতিত্ব করেন সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস। অনুষ্ঠানে কলেজের আইটি ভবনের সম্প্রসারিত তৃতীয় ও চতুর্থ তলার উদ্বোধন এবং নতুন চার তলা ভবন নির্মাণ কাজেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আমরা বর্তমানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে বাস করছি। আমাদের দেশের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের বয়স ৩৫ বছরের নীচে যা অন্য কোনো দেশে নেই। অফুরান এই যুব শক্তিকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ আর পিছিয়ে থাকবে না। দক্ষ জনসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার কারনে আমরা সফলতার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ জেলা পর্যায়ে আইটি/ হাই-টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ১২টি জেলায় সাত তলা বিশিষ্ট মাল্টিনেটেড হাই-টেক ভবন নির্মাণ করছে। এ ছাড়া এই পার্কে থাকছে তিন তলা বিশিষ্ট ক্যান্টিন ও এমফিথিয়েটার এবং তিন তলা বিশিষ্ট ডরমিটরি ভবন। জুন ২০২০ সময়ের মধ্যে নাটোরের এই হাই-টেক পার্কটি নির্মিত হলে আড়াই হাজার তরুণ-তরুণীর প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা