kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

বদলে গেছে ঘাটের দৃশ্যপট

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়িতে এখন গাড়ির অপেক্ষায় ফেরি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি    

১৪ জুন, ২০১৮ ১৫:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়িতে এখন গাড়ির অপেক্ষায় ফেরি

বদলে গেছে শিমুলিয়া ঘাটের দৃশ্যপট। দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার অন্যতম এই প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে গাড়ির অপেক্ষায় ফেরিগুলো ঘাটে অবস্থান করছিল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শিমুলিয়া ঘাটে সরজমিনে ঘুরে এমনটিই দেখা গেছে।

ঈদে ঘরমুখী যাত্রীরা কোনো প্রকার দুর্ভোগ ছাড়াই পার হচ্ছে শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে। নেই কোনো যানজট। দুর্ভোগ কী জিনিস এখন পর্যন্ত যাত্রীরা এ অভিযোগ করতে পারেনি। আর এসব কিছুর পেছনে রয়েছে মুন্সীগঞ্জের সুদক্ষ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার পরিকল্পিত ববস্থাপনা।

বিআইডাব্লিউটিসি এজিএম শাহ খালেদ নেওয়াজ বলেন, 'সকল আশঙ্কা ভেস্তে গেছে। ঘাটে নেই কোনো যানজট। সকালের দিকে কিছুটা যাত্রীবাহী গাড়ির চাপ থাকলেও তা ছিল স্বাভাবিকের মতো। দুপুরের দিকে যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় পণ্যবাহী ট্রাক পার করা হয়েছে। ঘাটের বিশাল পার্কিং ইয়ার্ডে পারাপারের  অপেক্ষায় নেই কোনো গাড়ি। ফেরিগুলো ঘাটে গাড়ির অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ঈদে ঘরমুখী গাড়ির চাপ না থাকায় ফেরিগুলো ঘাটে অলস সময় পার করছে।

এ নৌরুটে বর্তমানে ২০টি ফেরি চলাচল করছে। ফেরিগুলো চারটি ঘাটে গাড়ির অপেক্ষায় রয়েছে। যদি ফেরি ঠিকমতো চলে আর আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের আর তেমন অসুবিধা হবে না।

শাহ খালেদ নেওয়াজ আরো বলেন, ভোর থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ১৫০০ গাড়ি ফেরি দিয়ে পার হয়েছে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে যেসব গাড়ি পার হচ্ছে, তার বেশিরভাগই দূরপাল্লার বাস। যার অধিকাংশই ভাড়ায়  চালিত।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (টিআই) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে মাওয়াগামী যানবাহনগুলো আসার সাথে সাথেই ফেরি পেয়ে যাচ্ছে। ঘাটের অবস্থা দেখে আটকে রাখা ট্রাকও পারাপার করা হচ্ছে। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী যানবাহন পার করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানর সুদক্ষ ব্যবস্থাপনার করণে ঘাটে কোনো যানজট নেই। যাত্রীরা গন্তব্যে যাচ্ছেন কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই।

উল্লেখ্য, ঘাটে যাত্রী নিরাপত্তায় পুলিশ, নৌপুলিশ, র‌্যাব, ডিবি পুলিশ, আনসার ও স্কাউট দলসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পোশাক ও সাদা পোশাকে কাজ করছে। এ ছাড়া তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ও চিকিৎসক সার্বক্ষণিক ঘাটে রয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা