kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

সঠিক হোম অ্যাপ্লায়েন্সে বাড়তি ঈদ আনন্দ

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ জুন, ২০২২ ১৬:১৫ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



সঠিক হোম অ্যাপ্লায়েন্সে বাড়তি ঈদ আনন্দ

ঈদ কড়া নাড়ছে দুয়ারে। সাকিব-তানহারও (ছদ্মনাম) বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে একটু একটু করে। প্রতি ঈদের মতো এবারও বাড়িতেই ঈদ আনন্দ হবে নাগরিক জীবনে ব্যস্ত এই দম্পতির। ব্যস্ততা থেকে ছুটি নিয়ে কিছুদিনের জন্য হারিয়ে যাবে মায়ের কোলে, প্রকৃতির কোলে।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু, ভাবনা একটাই। মা যে নিজেই ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। সারাদিন এই কাজ, ঐ কাজে ছুটে বেড়ান বাড়িময়। মাতিয়ে রাখেন পুরো বাড়ি। কাজই যেন তার সব। কাজ থেকে ছুটি নেন না আধা ঘন্টার জন্যও।  

প্রতিবারই এ নিয়ে মায়ের সাথে মান-অভিমান চলে সাকিবের। অভিযোগ, ‘মা, এতো কাজ কীসের তোমার! এতোদিন পর বাড়ি এলাম, একটু গল্প করি তোমার সাথে। সবসময় কাজের বাহানা!’ অভিযোগ দিতে দিতেই আবারও কোনো এক কাজের ছুতোয় মায়ের আবারও ছুট! 

মায়ের সময় চুরি করে নেওয়ার জন্য তাই এবার অনেক ভেবে এই সমস্যা সমাধানে এক কুশলী সমাধান বের করেছে সাকিব-তানহা। এই ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় মায়ের জন্য কাজের সঙ্গী সাথে করে নিয়ে যাবে তারা। সেজন্য তারা বেশকিছুদিন যাবত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, বন্ধু-সহকর্মীদের পরামর্শ, সামাজিক মাধ্যম সহ নানান ভাবে খোঁজ নিয়ে স্মার্ট সঙ্গী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মায়ের কাজের সঙ্গী খুঁজতে গিয়ে নিজেদের শহুরে ব্যস্ত জীবনের জন্যও স্মার্ট এক সঙ্গী পেয়ে গেল তারা। আর তা হলো আধুনিক হোম অ্যাপ্লায়েন্স।  

সময়ের সাথে সমান তালে ছুটোছুটি করেও দক্ষ হাতে ঘর সামলানোর সঙ্গী এখন আধুনিক সব হোম অ্যাপ্লায়েন্স। পছন্দের ক্ষেত্রে একটু স্মার্ট হলেই, জীবনযাপন সহজ হয়ে যায় অনেকখানি। ফ্রিজ, ওয়াটার পিউরিফায়ার, ওয়াশিং মেশিন কিংবা মাইক্রোওয়েভ ওভেন এসব এখন আর বিলাসিতা নয় বরং নিত্য প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। ব্র্যান্ড পছন্দের ক্ষেত্রে একটু সচেতন হলেই নিজের এবং প্রিয়জনের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে কিংবা প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে একটু সময় বের করার জন্য সঠিক হোম অ্যাপ্লায়েন্সটি বেছে নেওয়া যায়। এক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও নিত্য ব্যবহারযোগ্য হোম অ্যাপ্লায়েন্সই হওয়া উচিত প্রথম পছন্দ।            

গ্রাহক পর্যায়ে এমন প্রয়োজনের বিষটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সামনে রেখে ইলেক্ট্রনিক্স ব্র্যান্ড এলজি ‘উন্নত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শক্তি এবং পরিবেশ (এসএইচইই-সেফটি, হেলথ, এনার্জি অ্যান্ড এনভাইরনমেন্ট)’ পলিসি নিশ্চিতের মাধ্যমে হোম অ্যাপ্লায়েন্স শিল্পকে আরও উন্নত করে তুলতে কাজ করছে। এই পলিসি দ্বারা পানি সম্পদের সর্বাধিক ব্যবস্থাপনা এবং রাসায়নিক বর্জ্য যথাসম্ভব কমিয়ে আনারও চেষ্টা করছে ব্র্যান্ডটি।  

বর্তমান সময়ে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে একটি। ফ্রিজের জন্য সর্বাধুনিক উদ্ভাবন হলো ইন্সটাভিউ প্রযুক্তির ডোর, যাতে করে ফ্রিজের দরজা না খুলেই এবং অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রার ভারসাম্য ব্যাহত না করেই ভেতরে রাখা খাবার দেখা যাবে। ইন্সটাভিঊ টেকনোলজির মাধ্যমে মাধ্যমে ব্যবহারকারী মসৃণ কাঁচের প্যানেলযুক্ত দরজায় দুইবার ট্যাপ করে ভেতরে অবস্থা দেখে নেওয়া যায়। ডোর-ইন-ডোর™ বলতে কাঁচের প্যানেলযুক্ত প্রধান দরজার ওপর আরেকটি দরজাকে বোঝায়, যা বিভিন্ন ধরনের পানীয়, দুধ, পনির, স্ন্যাকস ইত্যাদি ঘন ঘন ব্যবহৃত খাবার রাখার অতিরিক্ত জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  

এই ফ্রিজে রয়েছে অনন্য ডোর কুলিং+™ প্রযুক্তি, যা ফ্রিজের ভেতরকে দ্রুত ঠান্ডা করার মাধ্যম খাবারের স্বাদ ও গুণমান বজায় রাখে। এ ছাড়া এলজি ৪০০ লিটার ফ্রিজগুলোয় হাইজিন ফ্রেশ+ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি  ইউ ভি এল ই ডি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ৫ স্তরের একটি  বিশেষ ফিল্টার, যা ৯৯.৯৯৯% ব্যাকটেরিয়া এবং দুর্গন্ধ দূর করে।        

এলজির আরেকটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন হলো ইউভি এলইডি লাইটের ব্যবহার, যা ৯৯.৯৯% ব্যাকটেরিয়া দূর করে। এলজির দুটি হোম অ্যাপ্লায়েন্সে ইউভি স্টেরিলাইজেশন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এলজি ইন্সটাভিউ ডোর-ইন-ডোর™ রেফ্রিজারেটরের ওয়াটার ডিসপেনসারেইউভি ন্যানো™ প্রযুক্তি, প্রতি ঘন্টায় ১০ মিনিট অন্তর অন্তর ওয়াটার ডিসপেন্সার পরিষ্কারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্তকরণ সুবিধা প্রদান করে।  

এছাড়া এলজি পিউরিকেয়ার ওয়াটার পিউরিফায়ারের এভারফ্রেশ ইউভি+ প্রযুক্তি প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর অন্তর ৭৫ মিনিটের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পানিকে জীবাণুমুক্ত করে। ওয়াটার পিউরিফায়ারগুলোয় থাকে অনন্য এক ডুয়াল প্রোটেকশন এসএস ট্যাঙ্ক, যা ৯৪.৪% ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম।       

অপরদিকে, স্টিম+™ যুক্ত এলজি এআই ডিরেক্ট ড্রাইভ ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিনে আছে স্টিম+™ প্রযুক্তি। বিশ্ব বিখ্যাত ব্রিটিশ অ্যালার্জি ফাউন্ডেশন (বিএএফ) এলজির এই প্রযুক্তিকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। কারণ, এই প্রযুক্তি কাপড়ের ৯৯.৯% কাপড় থেকে ৯৯.৯% এলার্জি সৃষ্টিকারী এলার্জেন কণা দূর করতে সক্ষম। এছাড়া এর অনন্য ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটরে কোন বেল্ট বা পুলি না থাকায়, মোটর থাকে দীর্ঘস্থায়ী। এছাড়াও এই ডাইরেক্ট ড্রাইভ মোটর প্রযুক্তি ৬ ধরনের মোশন তৈরি করতে পারে যার কারনে কাপড় খুব যত্নের সাথে ধোয়া সম্ভব হয়।

এলজি নিওশেফ মাইক্রোওয়েভে আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ইজি-ক্লিন পদ্ধতি, যা ওভেনের ভেতরে লেগে থাকা ৯৯.৯% ব্যাকটেরিয়া রোধ করতে সক্ষম। সাধারণ ওভেন পরিষ্কারের জন্য ৭ বার সোয়াইপ প্রয়োজন কিন্তু এলজি নিওশেফ ওভেন মাত্র ৩ বার সোয়াইপে পরিষ্কার হয়ে যায়, ফলে অনেকটুকু সময় বেঁচে যায়।   

এই সময়টুকুই তো চায় সাকিব-তানহার মতো আরও অসংখ্য মানুষ। মায়ের একটু বাড়তি সময় বের করা ও আরাম নিশ্চিত করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, এবারের ঈদে তাদের সঙ্গী হচ্ছে এলজি পিউরিকেয়ার এবং এলজি ওয়াশিং মেশিন। মাস তিনেক আগেই নিজেদের বাসায় স্মার্ট সঙ্গী হিসেবে যুক্ত হয়েছিল এলজি রেফ্রিজারেটর। নির্ঝঞ্জাল নির্ভরতা ও ব্যবহারিক মুগ্ধতা থেকে মায়ের জন্যও তাই স্মার্ট সঙ্গী বেছে নিলো নিশিন্তে। তাদের চোখে-মুখে খেলা করছে এক অন্যরকম দীপ্তি, এবারের ঈদ হবে আরও আনন্দময়, মিলবে আরও একটু বাড়তি সময়।



সাতদিনের সেরা