kalerkantho

সোমবার । ৮ আগস্ট ২০২২ । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯ । ৯ মহররম ১৪৪৪

দেশেই আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা কম খরচে ও সুবিধাজনক উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ জুন, ২০২২ ১৬:৪২ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



দেশেই আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা কম খরচে ও সুবিধাজনক উপায়ে

বর্তমান বিশ্বে বাস্তব ও জীবনমুখী শিক্ষার প্রয়োজন তাৎপর্যপূর্ণ। তাই বৈশ্বিক পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জনে বিভিন্ন সফট স্কিলের প্রয়োজন আজকের চাকরি এবং উদোক্তাদের জন্য অপরিহার্য। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে পারে না। শিক্ষার্থীদের শেখার, বিকাশ করার এবং নিজেরই দায়িত্ব রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে শিক্ষার সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

 উচ্চ মাধ্যমিক ও ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অনেক শিক্ষার্থীরই নিজের স্বপ্নের ও পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন থাকে। মানসম্মত উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে এসব শিক্ষার্থীরাই নিজেদের দেশ, সমাজ ও প্রগতির উন্নয়নে কাজ করেন। একটি দেশ, জাতি বা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে এর মানুষের সঠিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণ এবং এর প্রয়োগের ওপর। প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমেই একজন মানুষের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়। তবে, এ শিক্ষা হতে হবে মানসম্মত।

বিশ্বায়নের সঙ্গে পুরো পৃথিবী একটি গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে। যেখানে যেকোনো দেশের মানুষ পরস্পরের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারছে। আমাদের সামগ্রিক জীবনধারার প্রতিটি ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ছে। বিশ্বায়নের এ যুগে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জন করতে হবে। গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি হলো এমন জ্ঞান, দক্ষতা ও গুণাবলীকে নির্দেশ করে, যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিষয় জানা, বোঝা বা ব্যবহারের মাধ্যমে একজন মানুষ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেকে এগিয়ে রাখতে ও সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শুধু আশপাশের এক-দুটি দেশ নয়, বরং বিশ্বের নানা দেশ, মানুষ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পর্যাপ্ত জ্ঞান রপ্ত করতে হবে; হতে হবে ‘গ্লোবালি কম্পিট্যান্ট'।

গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জনের যাত্রা শুরু করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই। তবে যদি কোনো শিক্ষার্থী এ গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জনে ব্যর্থ হয় সে ক্ষেত্রে তিনি এ প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব থেকে অনেক পিছিয়ে পড়বেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বিশ্বমানের না হলে গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জন প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্বনামধন্য কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা অর্জিত হয়েছে মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণার মাধ্যমে। যা এসব বিদ্যালয়ের বৈশ্বিক স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়।

পাশাপাশি, বিভিন্ন বিশেষ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা জ্ঞান অনুসন্ধানকারীদের জন্য একটি অনন্য সুবিধা প্রদান করে। যার মধ্যে এ বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তারা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কম্পিটেন্সি অর্জনে বিনা মূল্যে কর্মশালার আয়োজন করছে। যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারেন এবং অন্যান্য দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে সহজে ধারণা লাভ করতে পারেন, যা গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জনে অত্যন্ত সহায়ক। গ্লোবাল কম্পিটেন্সি অর্জনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের ও দেশের পরিচিতি উজ্জ্বল করবে। এ ক্ষেত্রে মোনাশ কলেজ, অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র অংশীদার ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশের (ইউসিবি) কথা বলা যায়, যারা দেশে বসেই শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষালাভের সুযোগ করে দিয়েছে, এবং মোনাশ এর একমাত্র অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলী, যোগাযোগ দক্ষতা, দূরদর্শিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতার মতো সফট স্কিল অর্জন করতে হবে। আজকের শিক্ষার্থীরাই যেহেতু ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবেন, তাই তাদের গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই। আর তাদের কম খরচে দেশে বসে সুবিধাজনক উপায়ে দেশে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ তাই খুবই আকর্ষণীয় একটি পথ।

লেখক : কাজী তাফসিরুল ইসলাম, সিনিয়র লেকচারার, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি



সাতদিনের সেরা