kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

ফ্যান্টাসি কিংডম ও ফয়’স লেকে ঈদ আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক   

২ মে, ২০২২ ০১:০৫ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



ফ্যান্টাসি কিংডম ও ফয়’স লেকে ঈদ আয়োজন

দীর্ঘ দুই বছর প্রতীক্ষার পর আসছে এবারের ঈদ কতটা আনন্দময় করা যায় সেটাই সবার অপেক্ষা। ঈদ মানে দুঃখ ভুলে যাওয়ার দিন, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উচ্ছ্বাস আর এই ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে প্রতি বছর থাকে নানা আয়োজন, এই খুশির দিনে পরিবারের আপনজন সবাইকে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে ছোট বড় সকলের প্রিয় ঢাকার অদূরে অবস্থিত বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স। ঈদ উপলক্ষে পার্ক কর্তৃপক্ষ পার্কটিকে মনোমুগ্ধকর আলোকসজ্জায় সজ্জিতসহ ডিজে শো, গেইম শো সহ বিশেষ প্রমোশনের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া কম্বো প্যাকেজে মূল্যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে (২০০০ টাকার প্যাকেজ ১৫০০ টাকা এবং ১৫০০ টাকার প্যাকেজ ১২০০ টাকা)।

বিজ্ঞাপন

 

বিনোদনের সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গড়ে ওঠা এই কমপ্লেক্সে রয়েছে ফ্যান্টাসি কিংডম, ওয়াটার কিংডম, এক্সট্রিম রেসিং (গো কার্ট), রিসোর্ট আটলান্টিস এই চারটি বিশ্বমানের বিনোদন কেন্দ্র। এছাড়াও চট্টগ্রামে অবস্থিত বিনোদন কেন্দ্র ফয়’স লেক কনকর্ড, সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড ও ফয়’স লেক রিসোর্ট এই তিন বিনোদন কেন্দ্র নিয়ে গড়ে উঠেছে ফয়’স লেক কমপ্লেক্স।

ফ্যান্টাসি কিংডম :
বিশ্বমানের বিনোদন সেবা, চমৎকার ল্যান্ড স্কেপিং ও উত্তেজনাকর সব রাইডস্ নিয়ে তৈরি ফ্যান্টাসি কিংডম যা ইতোমধ্যে বিনোদন পিপাসু ছোট-বড় সকলের কাছে বিনোদনের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দুরন্ত গতিতে ছুটে চলা রোমাঞ্চকর অনুভূতি ও শিহরণ জাগানো রাইড রোলার কোস্টার এই পার্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইডগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিনোদনের স্বর্গরাজ্য এই ফ্যান্টাসি কিংডমের রাজা আশু ও রানী লিয়া। এছাড়াও রয়েছে জায়ান্ট ফেরিস হুইল, জুজু ট্রেন, হ্যাপি ক্যাঙ্গারু, বাম্পার কার, ম্যাজিক কার্পেট, সান্তা মারিয়া, জায়ান্ট স্প্লাশ, জিপ এ্যারাউন্ড, পনি এ্যাডভেঞ্চার, ইজি ডিজিসহ ছোট বড় সকলের জন্য মজাদার সব রাইডস্।

বিনোদন করতে এসে দর্শনার্থীদের রসনা বিলাসের জন্য রয়েছে তিন তারকা মানের রেস্টুরেন্ট আশু ক্যাসল ও ওয়াটার টাওয়ার ক্যাফে। চমৎকার ও আকর্ষণীয় সব দেশি ও বিদেশি খাবারের সমারোহ রয়েছে এই সব রেস্টুরেন্টগুলোতে। বিনোদনের এই রাজ্যে রয়েছে গিফট শপ এগুলোতে পাওয়া যায় রকমারি সব গিফট।  

ওয়াটার কিংডম : 
সুবিশাল জলরাজ্যে বিনোদন এক অভাবনীয় সুযোগ, যা কিনা কনকর্ড ওয়াটার কিংডমেই সম্ভব। মাটির নিচ দিয়ে মনোমুগ্ধকর ও আকর্ষণীয় ভার্চুয়াল এ্যাকুরিয়াম টানেল পার হয়ে প্রবেশ করতে হয় ওয়াটার কিংডমে। কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট সাগরের উত্তাল ঢেউ তৈরি করা রাইড ওয়েভ পুল এই পার্কের সবচেয়ে আকর্ষণীয় রাইড। এছাড়াও এই পার্কে রয়েছে স্লাইড ওয়ার্ল্ড, ফ্যামিলি পুল, টিউব স্লাইড, লেজি রিভার, মাল্টি স্লাইড, ওয়াটার ফল, ডুম স্লাইড, লস্ট কিংডম, ড্যান্সিং জোনসহ মজাদার সব রাইডস্। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এই পার্কে রয়েছে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দু’টি আলাদা চেঞ্জ রুম ও লকারের ব্যবস্থা।

এক্সট্রিম রেসিং গো-কার্ট :
বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো কনকর্ড এক্সট্রিম রেসিং নিয়ে এসেছে বিশ্বমানের গো-কার্ট রেসিং, যা কার রেসিং দুনিয়ার এক অনন্য সংযোজন। ছোট চার চাকার প্রায় মাটি ছুঁই ছুঁই এই রেসিং কারগুলো আপনাকে দিবে রেসিং-এর এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। আন্তর্জাতিক মানের এই গো-কার্টগুলো ব্যবহৃত হয় ফর্মূলা ওয়ান বিজয়ী মাইকেল শুমাকার-এর ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে। অংশগ্রহণকারীদের গো-কার্ট চালানোর সুবিধার্থে রয়েছে দক্ষ প্রশিক্ষক। এছাড়াও এখানে গো-কার্ট চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন- হ্যান্ড গ্লাভস, হেলমেট, রেসিং জ্যাকেট, রেসিং বুট ইত্যাদির ব্যবস্থা রয়েছে।

রিসোর্ট আটলান্টিস:
ব্যস্ত জীবনের কর্মমুখর দিনগুলোর ক্লান্তি দূর করে, নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে শহরের বাহিরে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে অবস্থিত তিন তারকা বিশিষ্ট রিসোর্ট আটলান্টিস অতুলনীয়। আপনার ভ্রমণ ও একান্ত বিশ্রামকে মোহময় করে তুলতে আধুনিক জীবনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সুসজ্জিত হয়েছে রিসোর্ট আটলান্টিস। এই রিসোর্ট-এ অবস্থান কালে আপনি ফ্যান্টাসি কিংডম, ওয়াটার কিংডম ও হেরিটেজ পার্কের মনোরম সৌন্দর্য ও রাইড উপভোগ করতে পারবেন। ইকোনমি, ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স ও স্যুইট এই চার ধরনের রুম রয়েছে এই রিসোর্টে।

এই রিসোর্টের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম, কেবল টিভি, রেস্টুরেন্ট, ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, সাইবার ক্যাফে, টেলিফোন, কার পার্কিং, লন্ড্রি সার্ভিস, কনফারেন্স সেন্টারসহ আরো অনেক কিছু।  

এ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়’স লেক : 
চট্টগ্রাম শহরের কোলাহলের ভেতরেই মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ফয়’স লেকের অবস্থান। ফয়’স লেক জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধে একটি স্থান, সংরক্ষিত সবুজে রয়েছে নানা রকম গাছ আর পাহাড়। এখানকার বিভিন্ন পাহাড়ের মধ্যে রয়েছে অরুণিমা, জলটুঙ্গি, গোধূলি, অস্তাচল, আকাশমনি, হিমঝুরি, আসমানি, গগণদ্বীপ, উদয়ন প্রভৃতি। এসব পাহাড়ে নানা প্রজাতির গাছগাছালির মধ্যে রয়েছে সেগুন, গর্জন, কড়াই, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, কদবেল, পাম, বাদাম ইত্যাদি। সব বয়সী মানুষের জন্য হ্রদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে চট্টগ্রামের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে অবসর সময়ে বেড়ানো, পিকনিক অথবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য অন্যতম আর্কষণীয় স্থান কারণ এখানে রয়েছে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা আর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ৩৩৬ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা আর্কষণীয় এই বিনোদন কেন্দ্র দুটিভাগে বিভক্ত অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও ওয়াটার পার্ক সী-ওয়ার্ল্ড।

অ্যামিউজমেন্ট পার্ক সাজানো হয়েছে অনেকগুলো রাইড নিয়ে, বাচ্চা ও বড়দের জন্য আছে ভিন্ন ভিন্ন রাইডস্। রাইডগুলো উপভোগ করলে ভ্রমণে এর পরিপূর্ণ  আনন্দ পাওয়া যাবে। উল্লেখযোগ্য রাইডগুলোর মধ্যে অন্যতম রাইড হচ্ছে ফেরিস হুইল, বাম্পার কার, ফ্যামিলি রোলার কোস্টার, পাইরেট শীপ প্রভৃতি। ফেরিস হুইলে উঠলে এক চক্করে দেখা যাবে “ফয়’স লেক এ্যামেউজমেন্ট ওর্য়াল্ড”। বাম্পার কার-এ চলে খেলনা কারে চড়ে আরেক জনের কারে ধাক্কা দেওয়ার প্রতিযোগিতা। মনে হবে যেন এক মজার যুদ্ধে নেমেছে সবাই। ফ্যামিলি রোলার কোস্টার এক সঙ্গে অনেকে উপভোগ করা যায়, দ্রুতগতিতে ফ্যামিলি রোলার কোস্টার ছাড়লে  চিৎকারে মুখরিত হয়ে উঠে পার্ক। এর পরেই দেখা মিলবে পাইরেট শীপ। এই রাইডটি শুধু দুলতে থাকে ফলে অনেকেরই মাথা ঘুরে যা অত্যন্ত মজার।

বাচ্চাদের জন্য “ফয়’স লেক এ্যামেউজমেন্ট ওর্য়াল্ড” যেন এক স্বপ্নরাজ্য, কেননা সাজানো গোছানো এই জায়গাতে বাচ্চারা ইচ্ছেমতো ছুটোছুটি করতে পারে। বাচ্চাদের আনন্দ-বিনোদনের জন্য সব রকম উপকরণ আছে এখানে। বাচ্চাদের রাইডগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বেবী কেরাওসাল, ট্রেন, দোলনা ইত্যাদি। ঝিক্ঝিক্ শব্দে চলা সার্কাস ট্রেন, বেবি কেরাওসালের নানা রঙ্গেও ঘোড়ায় চড়ে মজা পায় বাচ্চারা। এই কমপ্লেক্সের ভেতরেই রয়েছে সিঁড়ি বেয়ে পাহাড়ে ওঠার ব্যবস্থা। অনেকগুলো সিঁড়ি বেয়ে  উঠলে দেখা পাওয়া যাবে অনন্য সুন্দর এক পিকনিক স্পট যা ফটো কর্ণার নামে পরিচিত। সিঁড়ি বেয়ে এখানে উঠার পরে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠে তারপরও কোনো সমস্যা নেই কারণ এখানে পানি ও ড্রিংকসের সু-ব্যবস্থা। ফটো কর্ণার থেকে কিছু দূরের পথ এগুলেই দেখা পাওয়া যাবে অবজারভেশন টাওয়ার আর এখান থেকে দূরবীণের সাহায্যে দেখা যাবে চট্টগ্রাম শহর। পিজন স্কয়ারে খাবার ছিটালে পার্কের কবুতরগুলো উড়ে এসে বসে দর্শনার্থীদের গায়ে। হ্রদের পাশেই নানারকম সামুদ্রিক প্রাণীর ভাস্কর্য দিয়ে সাজানো হযেছে এ্যাকোয়াটিক জোন যা পিকনিক স্পট হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। নৌ-ভ্রমণের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা। কেউ চাইলে প্যাডেল বোট, ইঞ্জিন বোট কিংবা স্পিডবোট নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে দেখতে পাবে সংরক্ষিত সবুজ, বুনো খরগোশ আর হরিণের ছুটে চলা। সন্ধ্যার মৃদু আলোতে হ্রদের পাড় আড্ডায় মুখরিত হয়ে উঠে, কারণ এখানে পাওয়া যায় কাবাব, চটপটি, ফুসকাসহ নানারকম মুখরোচক খাবার।

শহর কিংবা দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের বিস্মিত করে তোলে ফয়’স লেকের দিন রাত্রির নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত প্রকৃতি। আধুনিক সুযোগ সুবিধা, নির্মল আনন্দ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য পর্যটকদের অনিবার্য গন্তব্য হতে চলেছে এই ফয়’স লেক। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মজাদার খাবার খাওয়ার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট ‘লেক ভিউ’। এছাড়াও একাধিক ফুড কোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে এই পার্কে। ঈদের বিশেষ দিনগুলিতে পরিবারের আপনজন ও বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে ঈদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে তুলতে চলে আসুন নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে গড়ে তোলা কনকর্ড এ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড ফয়’স লেক-এ ।

সী ওয়ার্ল্ড কনকর্ড :
সী-ওয়ার্ল্ড গড়ে তোলা হয়েছে সবুজে ঘেরা মনোরম ফয়’স লেকের এক পার্শ্বে। ফয়’স লেকের বোট স্টেশন থেকে মাত্র ১০ মিনিটের পথ পেরোলেই দেখা মিলবে ওয়াটার পার্ক সী-ওয়ার্ল্ডের। সারা দিন জলকেলি উৎসবে মেতে ওঠার জন্য এ অনন্য এক স্থান। সারা দিন জল নিয়ে খেলার জন্য রয়েছে অনেকগুলো  রাইডস। সী-ওর্য়াল্ডের সবচেয়ে আর্কষণীয় স্থান ওয়েভ পুল, সাগরের ঢেউয়ের মতো বিশাল আকারের কৃত্রিম ঢেউ খেলা করে ওয়েভ পুলে। ওয়েভ পুলের ঠিক সামনের স্টেজে চলে ডিজে শো। ঢেউ আর ডি-জে মিউজিকের তালে তালে নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে দর্শনার্থীরা। টিউবে চড়ে ওয়েভ পুলের পানিতে ভেসে থাকতে মজা পায় অনেকেই। ওয়েভ পুলের পাশেই ড্যান্সিং জোনে কৃত্রিম বৃষ্টি মন মাতানো মিউজিক আর রঙিন বাতির আলোক ঝর্ণায় নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাসে হারিয়ে যায় অন্য কোনো জগতে। চিলড্রেন পুলে বাচ্চাদের পানিতে খেলার জন্য রয়েছে আর্কষণীয় অনেকগুলো রাইডস্।

দর্শনার্থীদের জন্য ফ্যামিলি পুল অন্যতম আর্কষণীয় রাইড। এই রাইডে চড়লে খুব দ্রুত গতিতে নিচের পানিতে লাফিয়ে পড়ে। আরো রয়েছে বিশাল আকৃতির টিউব- স্লাইড, মাল্টি-স্লাইড, প্লে-জোনসহ নানা রকম আয়োজন। প্রতিটা রাইডই যেন উল্লাসের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। জলে নেমে উল্লাস করার জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক ক্রযের জন্য রয়েছে গিফট শপ। পোশাক পরিবর্তনের জন্য পুরুষ ও মহিলাদের ভিন্ন ভিন্ন চেঞ্জিং রুম আর প্রয়োজনীয় জিনিস নিরাপদে রাখার জন্য রয়েছে লকার সিস্টেম। সী-ওয়ার্ল্ডে খাবারের জন্য রয়েছে ফুড কর্ণার, যেখানে চা, কফি, আইসক্রিম, চিপসসহ নানা রকম মুখরোচক খাবার। দুপুরের খাবারের জন্য রয়েছে আধুনিক রেস্টুরেন্ট।  

ফয়’স লেক রিসোর্ট : 
ব্যস্ত জীবনের কর্মমুখর দিনগুলি থেকে সাময়িক অবসর নিয়ে নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও নিরিবিলি পরিবেশে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে ফয়’স লেক রিসোর্ট একটি আদর্শ স্থান। শহরের বাইরে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে অবসর কাটাতে ও একান্ত বিশ্রামকে মোহময় করে তুলতে আধুনিক জীবনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সুসজ্জিত এই ফয়’স লেক রিসোর্ট। হানিমুন শ্যালে, গোল্ড, প্লাটিনাম, সুপিরিয়র, ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স, সুইট ও রয়্যাল সুইট -এই আট ধরনের রুম আছে এই রিসোর্টে। রুম ভাড়ার সঙ্গে আপনি পাচ্ছেন সকালের নাস্তা ও ফয়’স লেকের সকল রাইডস্ উপভোগ করার সুযোগ।

স্পিডবোট বা সাম্পানে চড়ে প্রকৃতি ঘেরা লেকের স্বচ্ছ জলরাশির বুক চিরে ১০ মিনিটের মনমুগ্ধকর পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছাতে হবে এই রিসোর্টে। এই রিসোর্টের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম, কেবল্ টিভি, রেস্টুরেন্ট, ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, কনফারেন্স হলসহ আরো অনেক কিছু। এছাড়াও বিনোদনের জন্য রয়েছে বিলিয়ার্ড, পুল ও প্যাডেল বোটসহ নানা আয়োজন।  

ফয়’স লেক রিসোর্টে আগত অতিথিদের জন্য রয়েছে বার-বি-কিউ নাইট, বোটিং-এর সুবিধা, কনসার্টসহ নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।

রিসোর্টের ব্যালকনি থেকে উপভোগ করা যাবে লেকের নয়নাভিরাম স্বচ্ছ জলরাশি, সবুজে ঘেরা পাহাড়, ছুটে চলা হরিণ, বুনো খরগোশ ও নানা রকম পাখির দৃশ্য। এখানে আপনার একান্ত ভ্রমণকে মোহময় করে তোলার জন্যে যা যা প্রয়োজন, রয়েছে তার সবকিছু। ঈদের আনন্দের দিনগুলোকে স্মরণীয় ও উপভোগ্য করে তুলতে চট্টগ্রামে অবস্থিত ফয়’স লেক রিসোর্ট আপনাকে জানাচ্ছে সাদর আমন্ত্রণ।  



সাতদিনের সেরা