kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ অক্টোবর, ২০২১ ১৬:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য

কার না মন চায় বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে। তবে এর জন্য ভালো প্রস্তুতিও দরকার। আইইএলটিএস জিআরই, স্যাট বা টোফেল, প্রয়োজনীয় ভাষা শেখা, দরকারি কাগজপত্র জোগাড়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন, স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ছাড়াও আছে নানা ঝামেলা। এগুলো সামলে নিতে নির্ভরযোগ্য কারো সহায়তা দরকার। 

এইচএসসি কিংবা স্নাতক শেষে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ভিনদেশে পাড়ি জমান অনেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনার অনেক সুযোগ আছে বাইরের দেশগুলোতে। দরকারি তথ্য না জানার কারণে যোগ্যতা থাকার পরও উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন না অনেকে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরোনোর পর মেলে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ। তবে সব তথ্য জানা থাকলে তা সামাল দেওয়া কঠিন নয়। মূলত ভর্তিচ্ছুদের নানা সহায়তা দিচ্ছে অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চায় তাদের ভর্তি সহায়তা ও মাইগ্রেশন পরামর্শ প্রদান করছে এ প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নেপাল ও চীনের অফিসগুলো থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে দিয়ে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কাউন্সেলররা। 

অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল গোফরান বলেন, আমরা বিশ্বের প্রায় ৪০০-র ওপর স্বনামধন্য ও প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে বাংলাদেশে আস্থার সঙ্গে কাজ করছি। আমাদের জন্মলগ্ন থেকে প্রায় ১০ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন। এরা প্রধানত বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থী। আমাদের ক্লাইয়েন্টদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক পরামর্শ প্রদান করা। বর্তমানে আমাদের শিক্ষার্থীরা মূলত পাঁচটি দেশে (অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউকে, ইউএসএ ও মালয়েশিয়া) পড়াশোনা করছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত অভিনেত্রী ঈশানা প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ মার্কেটিং এবং স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট পদে কর্মরত। তিনি বলেন, এই সফলতার পেছনে রয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য কাঙ্ক্ষিত স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা ও দ্রুত ভিসা প্রাপ্তিতে পূর্ণ সহায়তা করা। আমাদের অভিজ্ঞ ও বন্ধুসুলভ পরামর্শকরা এই পুরো প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। অভিভাবকদের মানসিক প্রশান্তি ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই আমাদের কাউন্সেলরদের মূল প্রচেষ্টা।

চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল গোফরান আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের উন্নত বিশ্বে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সংযুক্ত হবে। সুচারু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা মূলত সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যুগোপযোগী প্রোগ্রাম, সর্বোচ্চ স্কলারশিপ এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে বিবেচনায় নিয়ে পরামর্শ প্রদান করি। এই সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারাবদ্ধ।



সাতদিনের সেরা