kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দুই হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে শেষ হলো ‘এসএজিসি ফ্লেয়ার হান্ট’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ অক্টোবর, ২০২১ ২০:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে শেষ হলো ‘এসএজিসি ফ্লেয়ার হান্ট’

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় দুই হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে শেষ হলো প্রথমবারের মতো আয়োজিত শহিদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজের আর্ট ও ক্রাফট এবং ফটোগ্রাফি বিষয়ক আন্তঃকলেজ উৎসব ‘এসএজিসি ফ্লেয়ার হান্ট’। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন কার্যক্রম পুরো সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী অনলাইনে পরিচালিত হয়। ফেস্টিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান (অফলাইন) হয় গত  ৩০ সেপ্টেম্বর। ৪ অক্টোবর (সোমবার)  আয়োজন করা হয় এর অফলাইন সমাপনী অনুষ্ঠান।

করোনা অতিমারীর কারণে গৃহবন্দি জীবনে আবদ্ধ থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবসাদ দূর করে নব উদ্যমে লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃষ্টিশীল কাজে প্রণোদনা দিতে এসএজিসি আর্ট ও ক্রাফট ক্লাব এবং ফটোগ্রাফি ক্লাব সম্মিলিতভাবে এই উৎসবের আয়োজন করে। উৎসবের  সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সদর দপ্তর লজিস্টিকস এরিয়ার  জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ জহিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিসেস আসমা সুলতানা। উঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে টিকে থাকতে হলে নতুন প্রজন্মকে চৌকস ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হতে হবে। বিজাতীয় সংস্কৃতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন গেমসের দৌরাত্মে আমাদের সন্তানরা দেশীয় সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিজের দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজনের কোনো বিকল্প নেই।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম আমিরুল ইসলাম।  তিনি বলেন ‘সৃজনশীল কাজে আমাদের শিক্ষার্থীরা যত বেশি যুক্ত হবে ততই তাদের মৌলিক চিন্তা প্রসারিত হবে এবং জাতিকে তারা তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সমৃদ্ধ করে তুলতে সক্ষম হবে।’

অতিথিরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের আঁকা চিত্র ও আলোকচিত্র পরিদর্শন করেন। বিশেষ অতিথি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল  মো. মোজাহিদুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষগণ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উৎসবে মোট ১৬টি সেগমেন্টে অনলাইনে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী হাসেম খান এবং প্রথিতযশা চিত্রশিল্পীরা। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিশিষ্ট ফটোসাংবাদিক সুদীপ্ত সালাম এবং প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী প্রসূন হালদারের  অনলাইন ওয়ার্কশপে যুক্ত হয়ে ফটোগ্রাফি এবং আর্ট ও ক্রাফট সম্পর্কে বহুমাত্রিক জ্ঞান লাভ করে।



সাতদিনের সেরা