kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব এমিউজমেন্ট পার্কস এন্ড এট্রাকশনস-এর বিবৃতি

বিনোদন পার্ক খুলে দেওয়ার দাবি

অনলাইন ডেস্ক   

৪ আগস্ট, ২০২১ ১৬:৩১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিনোদন পার্ক খুলে দেওয়ার দাবি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের বিনোদন পার্ক। আর এ অবস্থায় জীবন ও জীবিকার তাগিদে বিনোদন পার্ক খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব এমিউজমেন্ট পার্কস এন্ড এট্রাকশনস (বাপা)।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মহামারী রূপে ১ বছরেরও বেশী সময় ধরে আবির্ভূত করোনাভাইরাসে গোটা বিশ্বের মানব জাতি অসহায় অবস্থায়। দীর্ঘদিন ধরে দেশের পর্যটন ও বিনোদন পার্ক খাত বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সহ সরকারী কোষাগারে আয়কর, মূসক ও অন্যান্য কর বাবদ বিপুল রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে।

২০২০ সালে করোনা ভাইরাসে সংক্রমনের ১ম ধাপের কারণে সরকারি সিদ্ধান্তে বিনোদন পার্ক গুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও মানবিক কারণে বিনোদন পার্ক সমূহের শ্রমিক, কর্মচারি ও কর্মকর্তাদের বেতন ভাতা সময়মত পরিশোধ করা হয়েছে।- বলা হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২১ সালের করোনা সংক্রমনের দ্বিতীয় ধাপের ফলে দেশের সকল বিনোদন পার্ক সমূহ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ রয়েছে, ফলে এ খাতটি পুনরায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকায় রাইডস ও যন্ত্রসমুহ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসায় খাতের ন্যায় আমাদের বিনোদন পার্ক গুলো খুলে না দিলে এই প্রতিষ্ঠান গুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

প্রায় ২ বছরের মতো সময় ধরে বিনোদন পার্কসমূহ বন্ধ থাকার কারণে এই খাতটির খুবই দুরবস্থা যার ফলে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারি ও কর্মকর্তাগণকে অনেক ক্ষেত্রে বেতন ভাতা পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা বিধায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। - বলা হয় বিবৃতিতে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জীবন ও জীবিকা একসাথে চালাতে হবে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে অন্যান্য অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন স্থানের সাথে তুলনা করে বিনোদন পার্ক খাতটি খোলার ব্যাপারে কোনোপ্রকার সরকারি সিদ্ধান্ত বা দিক নির্দেশনা এখনও দেয়া হয়নি। তাই এই খাতের সাথে জড়িত সকল উদ্যোক্তা, কর্মচারি ও কর্মকর্তাগণ খুবই উৎকণ্ঠা ও অসহায় বোধ করছে। যার ফলে বিনোদন পার্ক খাত মুখ থুবড়ে পড়েছে। - বলা হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অন্যান্য খাত যেভাবে স্বাস্থবিধি মেনে পরিচালিত হয়, অনুরূপভাবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এর করোনাকালীন এস.ও.পি. মেনে ধারণক্ষমতা ৫০% দর্শনার্থীদের নিয়ে পার্ক পরিচালনা করার অনুমতি প্রদানের জন্য বাপা সভাপতি অনুরোধ করেন। তাছাড়া বদ্ধ স্থানের তুলনায় উন্মুক্ত ও খোলামেলা পরিবেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হবার সম্ভাবনা কম থাকে। যেহেতু পার্কগুলো বিশাল এলাকাজুড়ে স্থাপিত তাই সামজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব। করোনাভাইরাসের মধ্যেও জীবন-জীবিকার জন্য অন্যান্য খাত স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিধি নিষেধ শিথিল করা হলেও এই বিনোদন পার্ক খাত নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। যদিও পার্কগুলোতে সামাজিক দূরুত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা খুবই সহজ।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব এমিউজমেন্ট পার্কস এন্ড এট্রাকশনস (বাপা)- এর সভাপতি জনাব শাহরিয়ার কামাল সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করেন যেন চলমান লকডাউন শেষে আগামী ১১ আগস্ট হতে অন্যান্য খাতের ন্যায় বিনোদন পার্কগুলো খুলে দেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।



সাতদিনের সেরা