kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

‘তরুণদের আকৃষ্ট করছে হিরোর মোটরসাইকেল’

এ এস এম সাদ    

২১ জুন, ২০২১ ১১:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘তরুণদের আকৃষ্ট করছে হিরোর মোটরসাইকেল’

মো. আবু আসলাম, চিফ মার্কেটিং অফিসার, নিলয় মোটরস লিমিটেড।

‘তরুণরা হিরো মোটরসাইকেল পছন্দ করছে, কারণ এগুলো ফ্যাশনেবল ও অত্যাধুনিক। তা ছাড়া হিরোর আছে মানসম্মত রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জ্উ) বিভাগ। যেখান থেকে যুগের সঙ্গে তরুণদের পছন্দ এবং সকল স্তরের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা করে বাইক তৈরি করা হয়। যুক্ত করা হয় নতুন নতুন ফিচার। হিরো সরাসরি ও থার্ড পার্টির মাধ্যমে ক্রেতাদের ওপর সার্ভে করে। গ্রাহকদের চাহিদা চিহ্নিত করে সেই মোতাবেক নকশা প্রণয়ন করে থাকে।’

কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিলয় মোটরস লিমিটেডের চীফ মার্কেটিং অফিসার মো. আবু আসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তরুণ, মধ্যবয়সী ও মেয়েদের জন্য ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে হিরো মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হয়। চাকরিজীবীরা ১০০-১২৫ সিসির মোটরসাইকেল বেশি পছন্দ করছেন। তার মধ্যে থ্রিলার ও হাংক বাইকগুলো গ্রাহকদের পছন্দের শীর্ষে।

kalerkanthoতিনি আরো বলেন, ‘নিটল-নিলয় গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে হিরো মটকর্প। ২০১৭ সাল থেকে মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে। বাংলাদেশে ২০১৪ সালে গাজীপুরের মৌচাকে  নিলয় মোটরস লিমিটেড একটি কারখানা চালু করে। সেখান থেকে তখন হিরোর সব মোটরসাইকেল সিকেডি ফরম্যাটে তৈরি করা হতো। শুরু থেকেই নিলয় মোটরস দেশের সকল প্রান্তে চ্যানেল পার্টনারদের মাধ্যমে হিরো মোটরসাইকেল সরবরাহ করে আসছে।’

বর্তমানে যশোরে হিরোর মেড ইন বাংলাদেশ মোটরসাইকেল তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফ্যাক্টরিতে সব ধরনের প্রডাক্টই ম্যানুফ্যাকচার করা হয়। আমাদের বর্তমানে দুইশ’র বেশি চ্যানেল পার্টনার রয়েছে। মানুষের দ্বারপ্রান্তে সহজে পৌঁছানোর জন্য শোরুম বাড়ানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত। লক্ষ্য দশ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে একটি শোরুম রেখে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো। একমাত্র হিরোমোটরসাইকেলে রয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত ওয়ারেন্টি। যদিও এই বাইকগুলো ১০-১৫ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। অবশ্য তিন মাস অন্তর সার্ভিস করাতে হবে মোটরসাইকেলগুলো দীর্ঘতম সময়ে ব্যবহারযোগ্য রাখতে।’

প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘হিরোর মোটরসাইকেলের চাহিদা দেশের সর্বত্র। প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ হিরো মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে। তাই হিরো ব্র্যান্ডের পলিসি হচ্ছে, ক্রেতা যেখান থেকেই বাইক কিনুক না কেন, সবার কাছে একই রকম পণ্য নিশ্চিত করা। আমাদের লক্ষ্য চ্যানেল পার্টনারকে উন্নতি করে দেশের সকল স্থানের মানুষের কাছে মোটরসাইকেলের সেবা পৌঁছে দেওয়া।’

তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে বাইকের চাহিদা অনেকাংশে বেড়েছে। বিশেষ করে ২০১৮-১৯ সালে চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছিল। গত বছর এপ্রিল মাসে করোনার কারণে বিক্রি বন্ধ ছিল। তবে করোনা-পরবর্তী সময়ে অনেকে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবহার না করে বাইক ব্যবহার বাড়িয়েছেন। ফলে চলতি বছর মে মাসে বাইক খাতের প্রবৃদ্ধিও বাড়ে।’

তিনি আরো বলেন, ‘হিরোর জনবলকেও দক্ষ কর্মী হিসেবে তৈরি করা হয়। তাদেরকে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ট্রেনিং দেওয়া হয়।’ বাইকের দাম নিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের সহায়তার জন্য বাইকের দাম কমেছে। কারণ ১০০ সিসির একটি বাইক ২০১৪ সালে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হতো, যা বর্তমানে ৯০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার মধ্যে বিক্রয় করা হয়। মে মাসে হিরোর মার্কেট শেয়ার ছিল ২৪ শতাংশ।’



সাতদিনের সেরা