kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায়

ইষ্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্সের ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ জুন, ২০২১ ২০:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইষ্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্সের ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন

ইষ্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেডের ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা জুন ১০, ২০২১ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ ঘটিকায় কম্পানির চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। কম্পানির সম্মানিত পরিচালকরা, এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা অরুণ কুমার সাহা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন। করোনা মহামারির কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ওই সভা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পরিচালকরা প্রতিবেদন এবং ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষকের প্রতিবেদনসহ কম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন করা হয়।

চেয়ারম্যান সভায় জানান, মারণঘাতী মহামারি ‘করোনা’র ভয়াবহতার প্রভাবে সংকুচিত হওয়া বিশ্ব অর্থনীতির মাঝেও ইষ্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেড ২০২০ সালে ৮৫৯.৫০ মিলিয়নের অধিক টাকা প্রিমিয়াম আয় করেছে এবং ৪০০.৫০ মিলিয়ন টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,৬৮৯.৮২ মিলিয়ন টাকা। পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশক্রমে ঘোষিত মোট ১০% (৭% নগদ এবং ৩% বোনাস) ডিভিডেন্ড কম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

কম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আরো জানান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে ইষ্টল্যান্ড ব্যাবসায়িক নীতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা বজায় রেখেছে। অনবদ্য ব্যাবসায়িক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ “দি ইন্সটিটিউট অব কষ্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)” কর্তৃক পূর্ববর্তী সময়ে পরপর ০৪ বছর সাধারণ বীমা খাতে “বেষ্ট কর্পোরেট এওয়ার্ড” এবং বীমা খাতে পরিচ্ছন্ন বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য “দি ইন্সটিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) কর্তৃক ০১ বছর ‘সার্টিফিকেট অব মেরিট এওয়ার্ড’ সম্মানে ভূষিত হয়েছে ।

ইষ্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স কম্পানির ক্রেডিট রেটিং বিগত বছগুলোর মতো ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লি. (ঈজওঝখ) কর্তৃক অঅ+ (ডাবল অ প্লাস ) মূল্যায়িত হয়। অঅ+ (ডাবল অ প্লাস) বীমাদাবি পূরণে অধিকতর সক্ষমতা, শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থান ও কারিগরি সক্ষমতাকে নির্দেশ করে।

চেয়ারম্যান আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ইনস্যুরেন্স বাজার ক্ষুদ্র বিধায় সব নন-লাইফ বীমা কম্পানিগুলো তীব্র প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে কম্পানির প্রবৃদ্ধি ও মুনাফা অর্জন বাধাগ্রস্ত এবং সার্বিকভাবে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন বিঘ্নিত হচ্ছে। দেশের বীমা খাতের উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে বীমাশিল্পের অনৈতিক এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতা শীঘ্রই বন্ধ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চেয়ারম্যান পরিশেষে অর্থ মন্ত্রণালয়, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ডিএসই, সিএসই, এসবিসি, অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সম্মানিত গ্রাহক এবং সম্মানিত শেয়ারহোল্ডারদের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশপূর্বক তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। কম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তাা ছাড়াও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সম্মানিত শেয়ারহোল্ডার উক্ত ভার্চুয়াল সভায় যোগদান করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।



সাতদিনের সেরা